চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ৯ আগস্ট ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিনাইদহের মধুহাটি মামুনশিয়ায় যৌতুকের দাবীতে দফায় দফায় নির্যাতন: যৌতুক লোভীর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে স্ত্রী এখন সন্তান নিয়ে বিপাকে!

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ৯, ২০১৬ ১:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

mayna-pic

ডাকবাংলা প্রতিনিধি: যৌতুকলোভী স্বামী ফজলুর অত্যাচারে স্ত্রী ময়না খাতুনের রীতিমত হাসপাতালে যেতে হয়েছে। বিবাহের পর থেকেই আজোবদী যৌতুকের দাবীতে স্ত্রী ময়নার উপর চালিয়ে আসছিলো বিভিন্ন প্রকার শাররীক ও মানুষিক অত্যাচার। এরই জের ধরে গত ৬ আগষ্ট স্ত্রী ময়না খাতুন কে স্বামী সহ পরিবারের লোকজন টাকার দাবীতে অত্যাচার নিপিড়ন চালিয়ে পাঠিয়ে দেয় পিতার বাড়িতে। ময়না কোন হালে পিতার বাড়িতে এসে ভাই জহিরুলের সহযোগিতাই সেদিই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭/১৮ বছর পূর্বে ঝিনাইদহ সদরের ২ নং মধুহাটী ইউনিয়নের মামুনশিয়া গ্রামের সোবহান ব্যাপারীর ছেলে ফজলুর রহমান (৪৫)-র সঙ্গে একই সদরের ৩ নং সাগান্না ইউনিয়নের নাথকুন্ডু গ্রামের মৃত খোরশেদ আলীর মেয়ে ময়না খাতুন (৩৬)-র বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই স্বামী পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু হয় যৌতুকের দাবী। ময়নার পিতা পরিবারের পক্ষ থেকে এ যাবত ৩ লক্ষ টাকা দিলেও যৌতুকের দাবী পরিশোধ হয়নি স্বামী ফজলুর। ময়নার রয়েছে দু‘ই মেয়ে এক ছেলে। অবশেষে অনবরত যৌতুকের দাবী পূরণে ব্যর্থ ময়না কে পাশ কাটিয়ে ফজলু গত ৫/৬ মাস পূর্বে দ্বিতীয় আরাকটি বিয়ে করে। যৌতুক সহ নতুন করে আরো একটি মানুষিক পাশবিক নিপিড়ন চেপে বসে ময়নার উপর। এরই ধারাবাহিকতাই গত ৬ আগষ্ট স্বামী সহ স্বামী পরিবারের লোকজন ময়নাকে মারধর করে পাঠিয়ে দেয় পিতার বাড়িতে। এ ঘটনায় ময়না সেদিনই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গতকাল ৫ জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা দাখিল করেছেন যা নং ০৮/২০১৬ ইং। এ ঘটনায় যৌতুক অত্যাচারের শিকার ময়নার ভাই জহিরুল জানান, এমন ঘটনা নিয়ে অতিতেও গ্রাম্যভাবে একাধিকবার বিচার সালিশ হয়েছে। কিন্ত তার পরও থেমে নেই আমার বোনের উপর যৌতুকের দাবীতে অত্যাচার। এমন অপরাধ ও অত্যাচরের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার হওয়া প্রয়োজন।

 

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।