চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিনাইদহের বংকিরা হাইস্কুলে নিয়োগ নিয়ে অর্থ বানিজ্য প্রতিষ্ঠান ফা- টাকা না পাওয়াই স্কুলে তালা!

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬ ২:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

am-pic-1

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যহত হচ্ছে লেখা পড়া, ব্যহত হচ্ছে স্কুলের সকল কর্মকান্ড। মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল গেটেই ঝুলানো রয়েছে তিনটি তালা। কেন, কিসের কারণে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এভাবে তালা ঝুলছে তার উত্তর অনেকটাই গোলমেলে! সদ্য স্কুলের কেরাণী পদে নিয়োগ দেওয়া বাবদ সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক টাকা পকেটস্ত করার কারণেই নাকি এই ঝামেলা। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠান ফান্ড টাকা না পাওয়াই আলোচনায় হাতা-হাতির আগেই স্কুলে ঝুলানো হয়েছে তালা। এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গত কিছু দিন আগে ঝিনাইদহ সদরের সাধুহাটী ইউনিয়নের বংকিরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেরানী পদে নিয়োগ নিয়ে দেন-দরবার চলে আসছিলো। এরই ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত নিয়োমের অধিনেই এই পদে নিয়োগ লাভ করে একই সদরের মধুহাটী ইউনিয়নের চোরকোল গ্রামের বকুল। নিয়োগ প্রাপ্তির পর প্রতিষ্ঠান ফান্ডে টাকা দিতে হবে এমন আলোচনা থাকলেও বকুল তা অস্বিকার করে। এ নিয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর শিক্ষকরা স্কুলে গিয়ে দেখতে পান মূল গেটে তালা ঝুলানো। কিসের কারণে এমন জিঙ্গাসায় জড় হতে থাকে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও অভিভাবক সদস্যগন। উপস্থিত হয় এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি ছাড়াও অনেকে। এ সময় প্রতিষ্ঠান ফান্ডের টাকা দেওয়া নিয়ে তর্ক-বির্তকের এক পর্যায় অসভ্য আচরণসহ হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শ্রী শুকদেব কর্মকারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেরাণী নিয়োগ বাবদ আমি কোন প্রকার টাকা পকেটস্থ করেনি। নিয়োমের অধিনেই পরিক্ষার্থী বকুল নিয়োগ লাভ করেছে। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে যে বিষাদাগার করা হচ্ছে তা আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াসে কিছু লোকজন এ সব কথা ছড়াচ্ছে। এরপর কথা হয় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গোলাম ছরোয়ারের সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানে টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে যারা তালা ঝুলিয়েছে এক্ষেত্রে কমিটিকে না জানিয়ে এমন কাজটি সঠিক করেনি বলে মন্তব্য করেছেন। কথা হয় নিয়োগ প্রাপ্ত বকুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ৬ মিনিট। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার নিকট বংকিরা এলাকার ৮ নং ও ৯ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বরদ্বয় আড়াই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেছেন। আমি কখনও তাদের এই টাকা দেবনা। প্রয়োজনে দেশের প্রচলিত আইনে আমি আইনি সহায়তা নেব। এমন অভিযোগের বিরুদ্ধে ৮ নং ওয়ার্ডের ইনামূল হক ডালু মেম্বরের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্কুলের নিয়োগ প্রাপ্ত বকুল কে আমি চিনিইনা। না তার সাথে আমার দেখা কিংবা কথা হয়েছে। তার নিকট আমি কেন কিসের কারণে টাকা চাইতে যাবো। বকুল যা বলেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা কথা। তবে এমন অর্থ বানিজ্যের মাঝে প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক এর শরীর অসুস্থতার কারণে, ওই সময় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসাবে স্থানীয় গোবিন্দপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর-এর হাত দিয়েই নিয়োগ প্রচার দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে কথিত নিয়োগ বানিজ্যের সাড়ে তিন লক্ষ টাকা পকেটস্থ করার কারসাজিতে ওই ভারপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর জড়িতো ছিলো বলে জানিয়েছে অন্য এক সদস্য।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।