ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে

52

চুয়াডাঙ্গায় আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন অবহিতকরণ কর্মশালায় ইউএনও সাদিকুর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেছেন, ‘যে ছেলে-মেয়েগুলো শিক্ষাক্ষেত্রে ঝরে পরেছে। তাদেরকে উদ্ধার করে মূল ধারায় আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সরকারের উদ্যোগটির মূল লক্ষ্যই হচ্ছে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা। সকলের সহযোগিতা পেলে এই ছেলে-মেয়েগুলোকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা সহজ হবে। যে জরিপটা হবে, সেখানে যেন একশ শতাংশ স্বচ্ছ হয়। এর আওতায় থাকা প্রকৃত শিশুকে খুঁজে খুঁেজ বের করতে হবে। আবার প্রাইমারি স্কুলে পড়ছে, এরকম শিশুর নাম যেন এর মধ্যে চলে না আসে। আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’ গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম-বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহযোগিতায় দিনব্যাপী সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাসুদর রহমান, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক সুরুজ্জামান, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুণ্ডুু, সাংবাদিক শাহ আলম সনি, সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম উদ্দীন, সৃষ্টি সমাজকল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক নাজিম উদ্দীন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার আল হামযা। কর্মশালায় উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রামের আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ সারা দেশের ৬৪টি জেলার ৩৪৫টি উপজেলায় উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয় বহির্ভূত ঝরে পড়া ও ভর্তি না হওয়া ৮ থেকে ১৪ বছরের ১০ লক্ষ শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনা হবে। তারই ধারবাহিকতায় চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক প্রকল্প চলবে। প্রতিটি উপজেলায় ৭০টি বিদ্যালয়ের মাধ্যমে ২ হাজার ১ শত শিশুকে শিক্ষা দেওয়া হবে। পার্টনার অর্গানাইজেশন হিসেবে কাজ করবে ওয়েভ ফাউন্ডেশন।