জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব ঠেকাতে সাংসদদের কাছে স্পিকারের ইমেইল নিজ এলাকা ছেড়েছেন চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুরের চার এমপি

324

indexনিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব ঠেকাতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এ বিষয়ে ই-মেইল করেছেন। অপরদিকে, গতরাত ১২টা থেকে আজ রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী কেন্দ্রের আশপাশে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। স্পিকারের বার্তা পেয়ে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর ইতোমধ্যে চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করেছেন। তবে মেহেরপুরের দুই সাংসদকে বিকেলের পর দেখা না গেলেও তারা কোথায় অবস্থান করছেন তা জানা সম্ভব হয়নি।
নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে দেয়া নির্বাচনের কমিশনের চিঠি আমলে নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সাংসদদের কাছে ইমেইল করা হয়েছে। স্পিকারের কার্যালয় থেকে ইমেইল করার পর তা চেক করার জন্য সাংসদদের মোবাইলফোনে এসএমএস করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয় থেকে ইমেইল পেয়ে চুয়াডাঙ্গার নির্বাচনী এলাকার দুই সংসদ সদস্য গতকালই নিজ জেলা ত্যাগ করেছেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন আজ বুধবার মেহেরপুরের মুজিবনগরে অবস্থান করবেন। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি মুজিবনগরের উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করেন। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর গতকাল ঢাকার উদ্দেশ্যে জেলা ত্যাগ করেছেন। তিনি আজ ঢাকায় অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে। এদিকে মেহেরপুর-১ আসনের সাংসদ অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন দোদুলকে বিকেলের পর দেখা যায়নি। তিনি আজ বুধবার কোথায় অবস্থান করবেন তা জানা সম্ভব হয়নি। মেহেরপুর-২ আসনের সাংসদ মকবুল হোসেনকেও গতকাল বিকেলের পর দেখা যায়নি। তিনি জেলার বাইরে অবস্থান করছেন বলে শোনা গেলেও কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।
অন্যদিকে, জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ উপলক্ষে ২৭ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা থেকে ২৮ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় বেবি ট্যাক্সি/অটোরিকশা, ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিক-আপ, কার, বাস, ট্রাক ও টেম্পো চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটা শিথিল থাকবে। এ ছাড়া হাইওয়ে, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারবে।