জীবননগর সীমান্তে কর্মসৃজনী কাজে চরম অনিয়ম! সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকী

318

jibonnagar news pic2

জীবননগর অফিস: জীবননগর সীমান্ত ইউনিয়নের কর্মসূজনী কাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, প্রতি বছরেই সরকারী ভাবে প্রতিটি ইউনিয়নের ৪০দিনের কর্মসূজনী কাজের বাজেট আসে। এটি মূলত রাস্তার মাটি ভরাটসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়মূলক কাজ করার জন্য বাজেটটি দেওয়া হয়ে থাকে। আর এ সমস্ত কাজ গুলো দরিদ্রদের নিয়ে করার কথা থাকলেও সেখানে দলীয় নেতাকর্মী আর না হলেই নয় কিছু সংখ্যক দরিদ্রদের নাম দিয়ে এ কাজগুলো করে থাকে দলীয় নেতাকর্মীরা। একটি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার সীমান্ত ইউনিয়নের গঙ্গাদাশপুর গ্রামের হাজী আ: মোল্লার বাড়ির নিকট ৬০জন লেবারের মাধ্যমে কর্মসূজনীর কাজ করার কথা থাকলেও সেখানে ১৮জন অনুপস্থিত অথচ সেখানে ৬০জন লেবারের হাজিরা তুলা হয়েছে বলে জানা যায়। এ দিকে ৬০জনের নামের তালিকায় হাজিরা থাকলেও সেখানে ১৮জন অনুপস্থিত  তা হলে কেন এই ১৮ জনের হাজিরা তোলা হল  বিষয়টি জানতে চাইলে দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার সীমান্ত প্রতিনিধির উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন কয়া গ্রামের সুলতানের ছেলে কথিত আওয়ামীলীগ নেতা ও লেবার সর্দ্দার তরিকুল। এমনকি তিনি ওই প্রতিনিধিকে এ বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে দেখে নেওয়ার হুমকি ধামকি দেন। এ ব্যাপারে সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান ময়েন উদ্দিন মঈনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ৬০জন লেবারের স্থানে যদি ১৮জন অনুপস্থিত থাকে তা হলে ১৮জন বাদে বাকি লেবারগুলোর হাজিরা দেওয়া হবে, এখানে যদি কোন ব্যক্তি কারচুপি করে থাকে তা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এব্যপারে জীবননগর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী ইমদাদুল হকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, গঙ্গাদাশপুর গ্রামে রাস্তায় যে কাজ লেবারের কাজ করার কথা ছিল তার মধ্যে ১২জন লেবার ছিল না সেগুলোকে আমি অনুপস্থিত করে দিয়ে আসি একই সাথে বেনীপুর ১০জন এবং গয়েশপুর ৫জন লেবারের কাজের খাতায় নাম থাকলেও তারা উপস্থিত না থাকায় তাদেরকে অনুপস্থিত করা হয়।এদিকে কর্মসূজনীর লেবারের নামে ভুয়া ভাওচার করে টাকা উত্তলন করা  সত্তেও সাংবাদিকের  সাথে লেবার সর্দ্দার তরিকুল এহেন আচারণ দেখে  সাধারন মানুষ ক্ষুদ্ধ।