চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ২৫ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জীবননগর শহরের ফুটপাত শীতের পোশাক বিক্রেতাদের ডাকে মুখরিত শীতবস্ত্র কিনতে মধ্যবিত্তসহ নিন্মবিত্তদের নজর ফুটপথের দিকে

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ২৫, ২০১৬ ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

DSC01057

জাহিদ বাবু/মিথুন মাহমুদ জীবননগর থেকে ফিরে: জীবননগরে শীতের পোশাকের হকারদের হাকডাকে মুখরিত জীবননগর শহরের ফুটপাত গুলো। ফুটপথের দিকে চেয়ে আছে মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্ত মানুষেরা। গত কয়েক দিনের শীত ও কিছুটা কুয়াশা ছন্ন পড়তে শুরু করাই জীবননগর বাজারের ফুটপথ গুলোতে প্রতিনিয়ত মানুষের ভিড় জমাচ্ছে শীতের গরম কাপড় কেনার জন্য বাজারের ফুটপাতের দোকান, বাজারের বড় দোকান গুলোতে উচ্চবিত্তরা ভীড় জমাচ্ছে। আর মধ্যবিত্ত এবং নিন্মবিত্ত আয়ের মানুষেরা জীবননগর শহরসহ বিভিন্ন ছোট বড় বাজার গুলোর রাস্তার পাশে ফুটপাত হকার্স ও দোকানীর কাছে ভীড় জমাচ্ছে। সরেজমিনে জানা গেছে জীবননগর উপজেলার সব থেকে বড় বাজার জীবননগর শহরের পুরাতন ডাকবাংলা এখানে প্রায় ১২ থেকে ১৫টি স্থানে ফুটপাতের পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রয় হয়ে থাকে। এছাড়াও জীবননগর শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে, মকছেদ আলী সুপার মার্কেট, কাচা বাজারের এমন কি পাশ্ববর্তী শিয়ালমারী পশুহাটসহ বিভিন্নস্থানে শীতের গরম কাপড় বিক্রয় করে থাকে। এছাড়াও বড় বড় দোকানেতো ভীড় আছেই। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে দোকান গুলোতে বেচাকেনা। প্রতি বছরেই শীত মৌসুম আসলেই তাদের বিক্রয়ের অবস্থা ভাল হয় বলে ব্যবসায়ীগন জানান। দোকান গুলোতে মধ্যবিত্তদের পাশাপাশি নিন্মবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা প্রতিনিয়িত ফুটপতের দোকান গুলোতে ভীড় করেন। শীতের শুরুতেই  গতকয়েক দিন ধরে একটু শীত বেশি শীত পড়তে থাকায় সাধারন মানুষ একটু গরম পাওয়ার আশায় আগে ভাগেই ভীড় জমাচ্ছে। বড় দোকান থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান পর্যন্ত ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষনে বিভিন্ন রকমের পোশাক সাজিয়ে রেখেছে দোকানীরা। এখানের ফুটপাতের দোকান গুলোতে পুরনো সব পোশাক যথেষ্ঠ সস্তা এবং বেশি শীত নিবরণদায়ক বলে অনেক ক্রেতার ধারনা। ফুটপাতে সর্বনিন্ম ৫০টাকা থেকে শুরু করে ৫শ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের শীতের কাপড় পাওয়া যায়। বড়দের পাশাপাশি ছোট বাচ্চাদের কাপড় ও পাওয়া যায়। প্রতিটি গাইটে যেসব ভাল জ্যাকেট, সোয়েটার, কোট, বাচ্চাদের কাপড় পাওয়া যায় সেগুলোর দাম একটু তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। এদিকে দোকানীরা পোশাকের গাইট ক্রয় করেন তাদের ভাগ্যের উপর নির্ভর করে মুখবন্ধ এসব গাইট কেনার আগে খুলে দেখার নিয়ম নেই। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতি গাইট কিনে আনে প্রায় ১৫থেকে ৪০হাজার টাকায়। কিনে আনার পরে মুখ খুলে নির্ধারন করা হয় লাভ লোকসানের হিসাব। পোশাকগুলো গাইট থেকে বের করারপর দাম ধরেন বিক্রেতারা আলতাফ, নাসির, জাহিদসহ জীবননগর বাজারের ফুটপাতের বেশকয়েকজন শীতবস্ত্র বিক্রেতা জানায়, সব বয়সের মানুষের পোশাক বিক্রয় হচ্ছে এসব দোকান গুলোতে। এ বছর শীতের পোশাকের চাহিদা তুলনামূলক ভাবে কিছুটা বাড়ছে। আশা করি এবছর দোকানে শীতের পোশাকের চাহিদা বাড়বে এবং বিক্রয় আরো বেশি হবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।