জীবননগর পল্লী বিদ্যুতের খেয়ালিপনায় গ্রাহক হয়রানির শিকার

298

জীবননগর অফিস: জীবননগর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের খেয়ালিপনায় সাধারন গ্রাহকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ এসেছে । জানা গেছে, জীবননগর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে তানভীর প্লাজায় পল্লী  বিদ্যুতের ২টি  মিটার আছে। উক্ত বাড়ির মালিক কুয়েত প্রবাসী মিজানুর রহমান ব্যাপারী এবং তার স্ত্রী বিউটি বেগম। বাড়ীর ১ম অংশে ভাড়া থাকেন বাকা মাঠপাড়ার গরীব হোসেনের ছেলে জনাব মো: গোলাম মোস্তফা  এবং  পেছনের অংশে মৎস কর্মকর্তা ও শিক্ষা অফিসার। বাড়িতে ২টি মিটারের মধ্যে সামনের অংশের জন্য ১টা বিদ্যুতিক মিটার এবং পেছনের অংশের জন্য আরেকটি মিটার রয়েছে। ১ম অংশের মিটারটি বিউটি বেগমের নামে এবং পেছনের অংশের মিটারটি মিজানুর রহমানের নামে। ১ম অংশের মিটার এর হিসাব নং ৮৭৪/২৬০২, ২য় মিটারের হিসাব নং ৮৭৪/২৬০১। কিন্তুু দুঃখের বিষয় হচ্ছে গত ডিসে/১৬ মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত ইউনিট ২২৫ ও মোট বিল ১১৬৮/ টাকা এবং ডিসে/২০১৬ বিউটি বেগমের ব্যবহৃত ইউনিট ১৪০ মোট বিল ৭০২ টাকা। জানুয়ারী ২০১৬ তারিখে দেখা যায় ৮৭৪/২৬০১ মিটার বিল হচ্ছে ১৪৪৯/ এবং ৮৭৪/২৬০২ মিটার বিল ৩৩২/ টাকা। ফেব্রুয়ারী ১৬ তারিখে ৮৭৪/২৬০১ মিটার বিল হচ্ছে ১৩৬৪/ কিন্তুু ৮৭৪/২৬০২ মিটার বিল ১২১/ টাকা। শুধু তাই নয় আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে এপ্রিল/২০১৬ মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত ইউনিট ৩২৫ ও মোট বিল ১৭৩৭ টাকা এবং এপ্রিল/২০১৬ বিউটি বেগমের ব্যবহৃত ইউনিট “নেই” মোট বিল ১২১ টাকা। জুন/১৬ মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত ইউনিট ৩০৫ ও মোট বিল ১৬১৯ টাকা এবং জুন/১৬ বিউটি বেগমের ব্যবহৃত ইউনিট “নেই” মোট বিল ১২১ টাকা সর্বশেষ জানু/১৭ মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত ইউনিট ২৫০ ও মোট বিল ১৩০৮ টাকা এবং জানু/১৭ বিউটি বেগমের ব্যবহৃত ইউনিট “০” মোট বিল ১২১ টাকা। এ ব্যাপারে জীবননগর পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বরত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মামুন বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। কিন্তু ৬ মাস পার হলেও এখনও সমস্যাটির কোন সুরহা হয়নি। এ বিষয়ে এবার তিনি বললেন মিটারটি জ্যাম আছে। ১ম অংশের ভাড়াটিয়া প্রতিমাসে ১২১ টাকা বিল দিয়ে খালাস আর পেছনের অংশের ভাড়াটিয়া প্রতি মাসে ১৪০০/১৫০০/১৬০০ টাকা করে বিল দিতে হবে কেন ?  এক্ষেত্রে সরকার বিপুল পরিমানে রাজস্ব হারাচ্ছে এবং পল্লী বিদ্যুতের ইনচার্জ এর পকেট ভরে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় পল্লী বিদ্যুতের কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের পকেট ভারী করার জন্য লাইন কাটার পায়তারা করে গত ২০১২ সাল এবং ২০১৪সালের বিলের কাগজের জন্য গ্রাহকদের কাছে যান । এসময় যে সমস্ত গ্রাহক বিল পরিশোধের কপি অজ্ঞতাবশত সংরক্ষণ করেননি, তাদের নিকট থেকে বিলসহ অতিরিক্ত টাকা আদায়ে চাপ সৃষ্টি করছে। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে লাইন কাটার হুমকিও দিচ্ছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগি গ্রাহকেরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।