জীবননগরে ভোট দেওয়ার নাম করে একাধিক প্রাথীর নিকট টাকা নিয়ে প্রতারনা পরাজিত প্রার্থীরা খাতা হাতে নেমেছে টাকা আদায়ের অভিযানে

400

eeee_192467_199743_214958

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের নির্বাচন শেষ হলেও এখন শেষ হয়নি জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারদের ভোদৌড় এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আখেরী গোছানো সকল সদস্যের চোখের ঘুম হারাম, একাধিক প্রার্থীর নিকট ভোট দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে ভোট না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টাকা ফেরৎ নেওয়ার জন্য পরাজিত প্রার্থীরা নেমেছে টাকা আদায়ের অভিযানে। জানা গেছে গত বুধবার সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও অনুষ্ঠিত হয় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন। আর এই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারদের ভোটের মাধ্যমে, এই নির্বাচনকে ঘিরে অনেক চেয়ারম্যান, মেম্বাররা জেলা পরিষদের সদস্য এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্যসহ একাধিক প্রাথীকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রতারনা করায়, পরাজিত প্রার্থীরা সে সমস্থ অর্থলোভী চেয়ারম্যান, মেম্বারদের নিকট খাতা নিয়ে টাকা আদায়ের অভিযান চলছে। এদিকে একটি সুত্রে জানা গেছে গত মঙ্গলবার এই নির্বাচনে পরাজিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের পরাজিত সাবেক উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আক্তার রিনি এক চেয়ারম্যানের কাছে টাকা চাইতে গেলে ওই চেয়ারম্যান তাকে কিসের টাকা বললে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওই চেয়ারম্যানকে জনসম্মুখে অপমান করে এই সংবাদটি ফেইসবুকে দিলে এলাকায় একটি টপ অব দ্যা নিউজ হিসাবে পরিনত হয়। সাথে সাথে গতকাল জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের বেশকয়েকজন চেয়ারম্যান ও মেম্বারগন চুপি সারে যে সমস্থ জেলা পরিষদের পরাজিত সদস্যদের কাছে ভোট দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছিল তাদের নিকট ফেরৎ দিয়েছে বলে ঘনিষ্ঠ সুত্রে জানা গেছে, এদিকে গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার সময় পরাজিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য ফারহানা আক্তার রিনি কয়েকজন প্রতিনিধিদের কাছে টাকা চাইতে গেলে তাকে জীবননগর শহরের পিয়ারাতলা কামরুলের চাতালের সামনে মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ফারহানা আক্তার রিনির সাথে কথা বললে তিনি বলেন সীমান্ত ইউনিয়ন ও বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের বেশ কয়েক জন আমার সাথে খারাপ আচারন করে, অবশেষে সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন  আমার বাড়িতে এসে তাদের পক্ষ থেকে মাপ চাওয়ায় আমি তাদের মাপ করে দিয়েছি। এ ব্যপারে সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়েন উদ্দিন মঈনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি কারও বাড়িতে যায়নি এবং কারও কাছে মাপ চায়নি আমরা বেশ কয়েকজন বাসস্ট্যান্ডে বসে ছিলাম। হঠাৎ শুনতে পারলাম সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার তহুরা, মর্জিনা এবং বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার রহিমা, মিলে তার উপরে হামলা করে, তাদের কাছে আমরা বিষয়টি জানতে চাইলে তারা বলেন রিনির কাছ থেকে আমরা ভোটের জন্য কোন টাকা পয়সা গ্রহন করিনি অথচ সেসব জাগায় আমাদের নামে মিথ্যা বদনাম করছে। এদিকে মহিলা মেম্বার তহুরা শিকার করে বলেন আমি মর্জিনা এবং রহিমা সেখানে ছিলাম। আমরা কারও মারধর করেনি বরং আমরা রিনির কাছে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি তোমাদের কাছে কোন টাকা পয়সা দিইনি, যে টাকা দিয়েছি তা সব চেয়ারম্যানদের হাতে। এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় এলাকার সচেতন মহল হতবাক হয়ে পড়েছেন। এই যদি হয় জনপ্রতিনিধিদের চরিত্র তা হলে সাধারন জনগনের অবস্থা কি হবে ?