জীবননগরে কোচিং সেন্টারের পরিচালক ছাত্রীকে নিয়ে উধাও

298

জীবননগরে কোচিং সেন্টারের পরিচালক ছাত্রীকে নিয়ে উধাও
সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে চলছে এসমস্ত কোচিং সেন্টার
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগরে প্রাইড প্রি ক্যাডেট স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টারের পরিচালক রানার বিরুদ্ধে ছাত্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, জীবননগর পৌরসভার ৮নং ওর্য়াডের আলী কদরের ছেলে ১ সন্তানের জনক প্রাইড প্রি ক্যাডেট স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টারের পরিচালক মাসুদ পারভেজ রানা পৌরসভার ৩নং ওর্য়াডের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লুৎফর রহমানের মেয়ে কলেজ পড়–য়া ছাত্রী রিতুকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে।
জানা গেছে, রানা ও ইকরামুল নামের দুই জন মিলে জীবননগর পৌরসভার ৬নং ওর্য়াড কাজীপাড়ায় প্রাইড কোচিং সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন ওই কোচিং সেন্টারে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষকের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হতো। কোচিং সেন্টারটি জনপ্রিয় হয়ে উঠলে কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি প্রাইড প্রি ক্যাডেট স্কুল নামের আর একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে রানা। সরকারীভাবে কোন অনমোদন না পাওয়ায় দৌলৎগঞ্জ মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে মাত্র ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হলেও ক্লাস হতো প্রাইড প্রি ক্যাডেট স্কুলে। এ বিষয়টি ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুঝতে পেরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এবং সরকারী বিধি মোতাবেক স্কুলটি না থাকায় স্কুলের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন পরবর্তীতে আবারও ওই স্থান পরিবর্তন করে একটু দুরে প্রাইড প্রি ক্যাডেট স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টার নামে দুটি প্রতিষ্ঠান একই সাথে আবার চালু করা হয়। এদিকে সরকারীভাবে কোচিং সেন্টার বন্ধ করার কথা থাকলেও আইনের সঠিক প্রয়োগ না থাকায় ব্যঙ্গের ছাতার মত দিন দিন কোচিং সেন্টার গজিয়ে উঠছে। যার ফলে যার ফলে প্রতিনিয়ত কোচিং সেন্টারে পড়তে আসা ছাত্রীদের সাথে শিক্ষক ও পরিচালকের মধ্যে তৈরী হচ্ছে প্রেমজ সম্পর্ক। যার প্রমান আবারও করলো রানা, যিনি নিজে পরিচালক হয়েও কোচিং সেন্টারে পড়তে আসা একছাত্রীকে নিয়ে উধাও হলেন।
এ ব্যাপারে মাসুদ পারভেজ রানার সাথে মুঠোফোনে কথা বলার জন্য চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে প্রাইড প্রি ক্যাডেট স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টারের অন্য একজন পরিচালক ইকরামুল হকের কাছে জানতে চাইলে, তিনি রানার বিষয়টি এড়িয়ে যান, তিনি বলেন রানার ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না, দরকার থাকলে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন। ছাত্রীটির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই মেয়েটি আমাদের কোচিং সেন্টারের নয়, যার ফলে তার সাথে কার সম্পর্ক আমি বলতে পারবো না।
উল্লখ্য, প্রাইড কোচিং সেন্টারের পরিচালক মাসুদ পারভেজ রানা এর আগেও বেশ কয়েকটি মেয়ের সাথে অশ্লীল ছবি তুলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শারিরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে।