জীবননগরের আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কলাহাটের বেহাল দশা, উন্নয়নের দাবি

44

প্রতিবেদক, আন্দুলবাড়ীয়া:
জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কলার হাট বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। কাঁদা-পানি যুক্ত নোংরা, পচা ও ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ দূষিত ও জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখান থেকে সরকার প্রতিবছর লাখ লাখ টাকার রাজস্ব নিলেও স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত ছিটেফোঁটা কোনো উন্নয়নয় হয়নি।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, জীবননগর উপজেলার বৃহত্তম কলার হাটটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এখানে বসার স্থান না থাকায় কৃষকরা খোলা আকাশের নিচে বেচাকেনা করছেন। রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে ব্যবসায়ী, ক্রেতা-বিক্রেতাসহ ট্রেনযাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন শত শত খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীরা পাঁকা-কাঁচা মালামাল ট্রাক-পিকাপ পরিবহন ও ট্রেনযোগে নিয়ে দেশের নানা জায়গায় রপ্তানি করে আসছেন। প্রতিনিয়ত এলাকার কৃষক ও ব্যবসায়ীরা রৌদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নীচে কলা বেচাকেনা করে আসছেন। কিন্তু সরকার প্রতিবছর লাখ লাখ টাকার মোটা অংকের রাজস্ব আয় করে আসলেও এ কলাহাটে নেই কোনো বসার স্থান, হাটের শেড, ছাউনী, ফ্লাডসোলিং, রাস্তা, উন্নত টয়লেট, পরিচ্ছন্ন কর্মী ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাহীনতার অভাব রয়েছে।
এ ব্যাপারে আনসারবাড়ীয়া কলাহাট ইজারাদার মির্জা হাকিবুর রহমান লিটন বলেন, চলতি অর্থবছরে ১৬ লাখ টাকায় হাট ইজারা গ্রহণ করেছি। কিন্তু হাটের সরকারি কোনো উন্নয়ন হয়নি। তিনি অবিলম্বে হাট-বাজারটির সরকারিভাবে ব্যাপক উন্নয়নের দাবি জানান।
আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার বলনে, সরকার প্রতিবছর ওই হাট থেকে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও সরকারি তহবিল থেকে উক্ত হাট-বাজারের উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ নেই।
এ ব্যাপারে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুনিম লিংকন বলেন, আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে কলাহাটের দুর্ভোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। সরেজমিনে হাটটি পরিদর্শন করে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।