জানুয়ারী থেকে নতুন পদ্ধতিতে শ্রমিক যাবে মালয়েশিয়ায়

299

সমীকরণ ডেস্ক: মালয়েশিয়া সরকার নতুন বছরের শুরু অর্থাৎ জানুয়ারী মাস থেকে ‘নতুন অনলাইন পদ্ধতিতে’ বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া শুরু করতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে দুই দেশের মধ্যে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের এসব বৈঠকে দুই দেশের কর্মকর্তারা এবার অল্প অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী নিয়োগের উপর সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। এছাড়া সকল রিক্রুটিং এজেন্সীর মাধ্যমে কর্মী পাঠানো নিশ্চিত করা, এজেন্সীগুলোর মান সম্পন্ন ট্রেনিং সেন্টার থাকা ছাড়াও শ্রমিক সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে ইতিমধ্যে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা প্রায় চুড়ান্ত করা হয়েছে। এখন শুধু স্থগিত থাকা শ্রমবাজার নতুন করে চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষনা দেয়া বাকী রয়েছে মাত্র। এদিকে ঢাকার ১০ রিক্রুটিং এজেন্সীর নামে এখনো মালয়েশিয়ায় যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশী গ্রামের অসহায় কর্মী।
এরআগে দেশটির সরকার এসব কর্মীদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রেরনের জন্য সময়সীমা বেধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে শ্রমিক পাঠাতে না পারলে চাহিদাপত্র বাতিল বলে গন্য হবে। এতে মালয়েশিয়ার এজেন্ট, অপেক্ষমান শ্রমিক, ঢাকার রিক্রুটিং এজেন্সী, মধ্যস্বত্বভোগীসহ অনেকেই বিপদে পড়তে পারে বলে আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও অপেক্ষমান কর্মীরা যাতে দ্রুত দেশটিতে যেতে পারে, সেই লক্ষ্য মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনে জরুরী ভিত্তিতে ‘স্পেশাল সেল’ খোলা হয়েছে। গতকাল রাতে প্যাসেজ এসোসিয়েটস এর স্বত্তাধিকারী আরিফ আলম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের নামে এখনো ৩ হাজারেরও বেশী কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। এসব কর্মীর নামে কলিং, মেডিকেলসহ সবকিছুই সম্পন্ন হয়েছে। তারপরও যেতে পারছে না। তিনি বলেন, শ্রমিকরা যাতে যেতে পারে সেই লক্ষ্য মালয়েশিয়া সরকার সময় বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেও ঢাকার মালয়েশিয়ান হাইকমিশন থেকে ঠিকমতো আমাদের স্ট্যাম্পিং দিচ্ছে না। গত ১৫-১৬ নভেম্বর থেকে এ্যাম্বাসি স্ট্যাম্পিং বন্ধ রেখেছে।
পাসপোর্টও জমা নিচ্ছে না। এখন কি কারণে তারা জমা নেয়া বন্ধ করেছে সেব্যাপারে আমরাতো আর সরাসরি জিজ্ঞেস করতে পারি না। তবে নতুন করে যদি মালয়েশিয়া সরকারের কাছ থেকে সময় বাড়িয়ে না নেয়া যায় তাহলে এসব কর্মীর যাওয়া অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, এখনো ১০ রিক্রুটিং এজেন্সীর নামে ৩০ হাজার প্লাস কর্মী যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।