চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতি, যুবক গ্রেপ্তার

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২ ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রতিবেদক, দামুড়হুদা: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাসের স্বাক্ষর ছাতিয়ানতলা গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে হুমায়ন (৩০) প্রতিস্থাপন করে সাধারণ মানুষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি করে আসছিলেন। ঘটনা জানতে পেরে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম ঢাকা ডিজিটাল স্টুডিও দোকানে গিয়ে সত্যতা মিললে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কার্পাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মহিউদ্দিন বাদী হয়ে হুমায়নের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে তার দোকান থেকে হুমায়নকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে হুমায়ন কার্পাসডাঙ্গায় ঢাকা ডিজিটাল স্টুডিও দোকান পরিচালনা করেন। সেই সুবাদে একটি প্রতারণার ফাঁদ পেতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিমের স্বাক্ষর জাল করে মৃত্যু সনদপত্রে প্রতিস্থাপন করেন। এমন সংবাদ পেয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল করিম তাঁর দোকানে গিয়ে কম্পিউটার চেক করলে ঘটনার সত্যতা মিলে এবং তিনি নিজেও স্বীকার করের তাঁর প্রতারণার কার্যকলাপ। বিষয়টি কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সানজিদা বেগমকে আবহিত করেন। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছে সত্যতা পেয়ে নিয়মিত মামলা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মহিউদ্দিন বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি নিয়মিত প্রতারণা (মামলা নম্বর ৪) দায়ের করেন। পরে কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির এসআই আতিকুর রহমান জুয়েল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হুমায়নকে গ্রেপ্তার করে দামুড়হুদায় মডেল থানায় সৌপর্দ করেন।
কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বলেন, ‘বড় ধরনের ঘটনার আগেই আমরা জানতে পারি হুমায়ন এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তা সত্যতা মিললে আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।