চুয়াডাঙ্গা বুধবার , ৪ এপ্রিল ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

সমীকরণ প্রতিবেদন
এপ্রিল ৪, ২০১৮ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জীবননগরে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের ওপর হামলার পর উল্টো
জীবননগর অফিস: জীবননগর জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রতিপক্ষকে পিটিয়ে জখমের পর উল্টো ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হামিদুল, বাবলু ও শাহাবুল একটি জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একই গ্রামের নুরবকসো মন্ডলের ছেলে মিঠু মুহুরীর উপর মিথ্যা অভিযোগ তুলে মারধর করে। একপর্যায় মিঠুর ভাবি নুরুন্নাহার ছুটে এলে তাকেও মারধর করে। এ ঘটনায় মিঠুর ভাবি গুরুতর আহত হয়ে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে একটি সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে উভয়পক্ষের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ঘটনাটি স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারের মাধ্যমে গ্রামে আপস-মিমাংশা করে সমাধান করা হয় বলে জানা গেছে।
পরদিন বাবলু বাদি হয়ে মিঠু ও ফারুকের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ তাদের দুইজনকে আটক করে। আটকের পর আপস মিমাংশাপত্র থানায় জমা দিলে পুলিশ মিঠু ও ফারুককে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত সোমবার হামিদ বাদি হয়ে মিঠু, ফারুক, মিঠুর বোনাই ৪নং সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েনসহ ৬ জনের নামে জীবননগর থানায় আবারও একটি মামলা দায়ের করে। এ মামলার ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে জীবননগর থানার এসআই জাহিদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মৃত আব্দার রহমানের ছেলে আ. রাজ্জাকে আটক করে। এ ব্যাপারে সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েন বলেন, হামিদুল এবং মিঠু এরা দুইজনই মামা-ভাগ্নে। আমি তাদের হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম এবং উভয়পক্ষকে এ বিষয়টি মিমাংশা করার জন্য বলি। আর উল্টো আমার নামেই থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে জীবননগর থানার এসআই জাহিদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে মিমাংশা হয়েছে কি না আমি জানি না। অভিযোগ পাওয়ায় আমি তাকে আটক করেছি। এ ব্যপারে নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ওর্য়াড মেম্বার মাফির সাথে কথা বললে তিনি বলেন, হামিদুল আর মিঠুর মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছিল এ বিষয়টি আমাকে মিঠু জানিয়েছিল এবং হামিদুল নিজে রাত ১টার সময় আমাকে ফোন দিয়ে বলেছিল আমরা দুইজন বসে এটি আপশ মিমাংশা করে ফেলেছি। তার পরের দিন আমি তাদের সম্মুক্ষে আপশ মিমাংশার স্ট্যাম্প দেখি এবং আমি তাতে হামিদুল ও মিঠুর সাক্ষর দেখে আমি নিজেও সাক্ষর করি।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।