চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে পরিক্ষা চলাকালীন আলমডাঙ্গার ছাত্রের মোটরসাইকেল চুরির জের এজাজকে কুপিয়ে জখম : রতœা ও সবুজ সাময়িক বরখাস্ত : থানায় মামলা

241

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ চত্বরে এক যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। কলেজের অত্যাবশ্যকীয় কর্মচারী রতœার দায়ের কোপে জখম হন যুবক এজাজ। গতকাল সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ চত্বরে এঘটনা ঘটে। রতœার ছেলে কলেজের সাইকেল স্ট্যান্ডে কর্মরত সবুজকে মারপিটের সময় সে এজাজকে কুপিয়ে জখম করে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে কলেজের অত্যাবশ্যকীয় কর্মচারী মা ও ছেলেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ। ঘটনার পর অভিযুক্ত রতœা ও তার ছেলে সবুজের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন জখম এজাজ। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে পরিক্ষা চলাকালীন সাইকেল স্ট্যান্ড থেকে আলমডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের এক ছাত্রের মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাইকেল স্ট্যান্ডে কর্মরত সবুজ ও স্থানীয় যুবক অমিতকে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করে কলেজের ছাত্ররা। ফলে গতকাল সোমবার অমিতকে ডেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। এ ঘটনায় তার জড়িত না থাকার বিষয়টি পরিষ্কার হলে অমিতকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে সাইকেল স্ট্যান্ডে কর্মরত সবুজকে ডাকা হয় বিষয়টি জানার জন্য। কিন্তু সবুজ না আসার কারণে তাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে নেতৃবৃন্দরা। সবুজের সাথে নেতৃবৃন্দের বাকবিত-া শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হলে সবুজের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারপিট করে তারা। বিষয়টি দেখে সবুজের মা কলেজের অত্যাবশ্যকীয় কর্মচারী রতœা একটি ধারালো অস্ত্র দা নিয়ে ছুটে গিয়ে যুবক এজাজের হাতে কোপ মারে। গুরুতর জখম হন এজাজ। এরমধ্যে খবর পেয়ে কলেজ চত্বরে উপস্থিত পুলিশ। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সবুজ ও এজাজ দুজনকেই চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ বিষয়টি নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের সাথে আলোচনা করেন। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ এক সভায় রতœা ও তার ছেলে সবুজকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বলে জানান অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান। এ ঘটনায় গুরুতর জখম এজাজ বাদী হয়ে রতœা ও সবুজের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।