চুয়াডাঙ্গা রবিবার , ৪ ডিসেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও হস্তক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের ঠিক হবে কি হাসপাতালের টয়লেটগুলো?

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ৪, ২০১৬ ১:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Hospital (4)

শহর প্রতিবেদক: দেশে যখন উন্নয়নের মান আধুনিকতায় পরিণত হচ্ছে, তাহলে কেন সরকারী হাসপাতালের রোগীদের ব্যবহারের টয়লেটগুলো দুর্গন্ধময়, ময়লা আবর্জনা, অপরিস্কার এবং পরিছন্নতায় দূর্বলতা? বারংবার পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও হস্তক্ষেপ নেই বললেই চলে কর্তৃপক্ষের। ঠিক এমনই প্রশ্ন উঠেছে ‘‘আদৌও কি হবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের রোগিদের ব্যবহারের টয়টেগুলো ব্যবহারের উপযোগি”? সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসাপাতালের রোগীদের ব্যবহৃত প্রত্যেকটি টয়লেটগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা। প্রতিটি ওয়ার্ডের টয়লেটগুলো কোনটাই মলভর্তি, কোনটাই দরজা ভাঙ্গা, কোনটাই টয়লেটের ব্যবহৃত পানির ট্যাব ভাঙ্গা, আবার দরজা আছে তো ছিটকিন নাই। টয়লেটে গেলে কাওকে পাহাড়া দিতে হয়। দূর্গন্ধময়, ময়লা আবর্জনায়, পরিবেশ দূষণ পরিবেশে এই যদি হয় চিকিৎসার মান, তো সাধারন মানুষগুলো রোগী দেখতে গিয়ে নিজেই রোগীতে রুপান্তিত হবে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন বলেন, হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের নিকট বারবার বলেও কোন ফায়দা হয়নি। এমনকি পরিস্কার/পরিছন্ন কর্মিদেরকে বললে শুনতে হয় ঝাড়ি। কিন্তু ঠিকই মাস শেষে গুনে গুনে টাকা পকেটে পুড়ছেন পরিস্কার/পরিছন্ন কর্মিরা। বাস, কাজ না করেও যদি মাস শেষে টাকা পকেটে ভর্তি হয় তাহলে তো কোন কথায় নাই। আর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন নজরই  নাই বারবার অভিযোগ করার পরেও। দূর্গন্ধময়, মলভর্তি, টয়লেটের দরজা ভাঙ্গা, দরজা আছে তো ছিটকিন নেই, টয়লেটের পনির ট্যাব ভাঙ্গা, এসব খুব শ্রীঘ্রই যেন ব্যবহারের উপযোগী ও সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করা হয় এজন্য জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষন করছে ভূক্তোভোগী, রোগী ও রোগীর স্বজনেরা।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।