চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহের আটটি আসনে আ.লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের ৮৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

522

শেষ দিনে উৎসবমূখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন প্রার্থীরা
সমীকরণ ডেস্ক: শেষ হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গতকাল বুধবার বিকাল পাঁচটায় দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ হয়। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ থাকলেও শেষদিনেই বেশিরভাগ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। চুয়াডাঙ্গার দু’টি আসন, মেহেরপুরের দু’টি আসন ও ঝিনাইদহের চারটি আসনে আ.লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের মোট ৮৯জন প্রার্থী তাদের নিজ নিজ মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং জেলার চারটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে শেষ সময়ের আগমুহূর্ত পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন প্রার্থীরা।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসন (সংসদীয় আসন-৭৯) থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী চুয়াডাঙ্গা জেলা

বিএনপি’র অন্যতম সদস্য মো. শরীফুজ্জামান, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মেদ শামসুজ্জামান দুদু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুহা. অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, অন্যতম সদস্য লে. কর্ণেল (অব.) সৈয়দ কামরুজ্জামান, জাসদ (ইনু) মনোনীত প্রার্থী এম সবেদ আলী, মো. তৌহিদ হোসেন (জেএসডি), এড. মো. সোহরাব হোসেন (জাতীয় পার্টি), মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. আলমাছ হোসেন (বাংলাদেশ জাকের পার্টি) ও মেরিনা আক্তার (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ)।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন- আ.লীগ মনোনীত বর্তমান সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর, বিএনপি মনোনীত আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রুহুল আমীন, মো. হাসানুজ্জামান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. আব্দুল লতিফ খান (জাকের পার্টি), শেখ লালন আহমেদ (গণফ্রন্ট) ও নূর হাকিম (স্বতন্ত্র)।
এ প্রসঙ্গে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস জানান, ‘চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনে মোট ১৮ জন তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিটি প্রার্থীকেই নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
আমাদের জীবননগর অফিস জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবু। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং অফিসার সিরাজুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক খোকন খান, সাংগাঠনিক সম্পাদক ওসমান গনি, পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবির, সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু, উথলী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, পৌর কাউন্সিলর হযরত আলী। বিএনপি নেতা মাহমুদ হাসান খান বাবু দলীয় মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার পর রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও ভোটাররা যেন সঠিকভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে বিষয়ে অনুরোধ জানান।
এরপর বেলা ১টা নাগাদ সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কাছে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত ও বর্তমান সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর মনোনয়নপত্র জমাদেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো. আ. লতিফ অমল, পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সুলতানা লাকি, মনোহরপুর ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন খান, বাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের প্রধান প্রমূখ। এ ছাড়াও গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী শেখ লালন আহম্মেদ তার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
আমাদের দর্শনা অফিস জানিয়েছে, দামুড়হুদা উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রফিকুল হাসানের নিকট চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে তিনজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে আ.লীগ মনোনীত বর্তমান সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবু, জাকের পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল লতিফ খান (যুবরাজ)।
আমাদের আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার রাহাত মান্নানের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আ.লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন-এমপি। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ.লীগের সহসভাপতি খুস্তার জামিল, সহসভাপতি প্রশান্ত অধিকারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমঙ্গীর হান্নান, মাসুদুজ্জামান লিটু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, আলমডাঙ্গা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাষ্টার, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন প্রমূখ। মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর উপজেলা চত্বরে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ওহিদুল ইসলাম বিশ্বাস আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার রাহাত মান্নানের নিকট মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এমএজি মোস্তফা ফেরদৌস। গতকাল বিকেল ৩টার দিকে আলমডাঙ্গায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান পিন্টু, বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান বকুল, জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজীব খান, বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, মাহামুদুর রহমান পল্টু ও শাজাহান আলী প্রমুখ।


আমাদের মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার লক্ষ্যে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে মেহেরপুরের দুটি আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। তার মধ্যে মেহেরপুর-১ আসনে ১৩ এবং মেহেরপুর-২ আসনে ১৮ জন প্রার্থী জমা দিয়েছেন। মেহেরপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে তিনজন এবং মেহেরপুর -২ আসনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন একজন। মেহেরপুর-১ আসন (সদর ও মুজিবনগর) থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আ.লীগের সভাপতি ও বর্তমান সাংসদ ফরহাদ হোসেন দোদুল, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ মাসুদ অরুন, জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন। এছাড়াও আওয়ামী লীগের পক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এড. মিয়াজান আলী, সদস্য ও সাবেক সাংসদ জয়নাল আবেদীন, সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য প্রফেসর আব্দুল মান্নান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম। জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল হামিদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের পক্ষে জেলা সভাপতি আবুল কালাম কাসেমী, জাকের পার্টির পক্ষে সাইদুল আলম। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা জামায়াতের আমির তাজ উদ্দিন আহমেদ খান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রহমান, কেন্দ্রীয় শ্রমীক কল্যান লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান।
এদিকে মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহিদুজ্জামান খোকন, বিএনপি মনোনিত প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আমজাদ হোসেন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন, মেজর(অব.) শরিফ হোসেন মুকুল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়াও আওয়ামী লীগের পক্ষে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সেলিনা আখতার বানু, জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, আ.লীগ নেতা আহমেদ আলী, জেলা আ.লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান মুকুল, জেলা আ.লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরজাহান বেগম, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ওয়াকার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য নুর আহমেদ বকুল, এলডিপির পক্ষে জেলা সভাপতি ও সাবেক এমপি আব্দুল গনি, জেলা জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় পার্টির কিতাব আলী, এনডিএম পার্টির জাভেদুর রহমান জনি এবং জাকের পার্টির পক্ষে আলী আকবর, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলের পক্ষে আলিমুজ্জমান মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এই আসনে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত বর্তমান এমপি মকবুল হোসেন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো: আতাউল গনি জানান, ‘উৎসবমূখর পরিবেশে মেহেরপুরের দুটি আসনে ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।’
আমাদের ঝিনাইদহ অফিস জানিয়েছে, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি সংসদীয় আসন থেকে ৩৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বুধবার জেলা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের কাছে এ সব মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জামায়াত, জাতীয়পার্টি, জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল জাসদ, বাংলাদেশ সমাজ তান্ত্রিক দল বাসদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র দলসহ বিভিণœ রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা জেলা রির্টানিং কর্মকতা ও উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ঝিনাইদহ-১ শৈলকুপা আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী জেলা সভাপতি এমপি আব্দুল হাই প্রথমে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর কিছুক্ষন পরেই বিএনপি’র দলীয় প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড, আসাদুজ্জামান মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এদিকে এ আসন থেকে বিএনপির মনোনিত আরো দুই প্রার্থী সাবেক এমপি আব্দুল ওহাব ও জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, বাসদের আসাদুজ্জামান, স্বতন্ত্র আবু বক্কর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রায়হান উদ্দিন জাসদের দবির উদ্দিন জোয়ারদার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এদিকে ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তাহজিব আলম সমি সিদ্দিকী, বিএনপির সাবেক সংসদ মসিউর রহমান ও তার ছেলে ইব্রাহিম রহমান রুমি (বাবু), বিএনপি নেতা এড এম,এ মজিদ, ও এস,এম মসিউর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের ফকরুল ইসলাম। ঝিনাইদহ-৩ কোটচাদপুর-মহেশপুর আসন থেকে আওয়ামী লীগের সফিকুল আজম খান চঞ্চল, বিএনপির মনির খান, মেহেদি হাসান রনি, আমিরুজ্জামান শিমুল, জামাতের অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, জাতীয়পার্টির কামরুজ্জামান স্বাধীন, বিএনএফের ইসমাইল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা সরোয়ার হোসেন। ঝিনাইদহ-৪ আসনের আওয়ামী লীগ থেকে আনোয়ারুল আজিম আনার, বিদ্রোহী আব্দুল মান্নান, বিএনপির সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, শহীদুজ্জামান বেল্টু, ইসলামী আন্দোলনের মনতাজুর রহমান, ওয়ার্কাস পার্টির মোস্তফা আলমগীর রতন, জাকের পার্টির ইসাহাক ও সিপিবির রিনি ভুষন রায়।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় জেলার কোথাও বড় ধরনের শোডাউন বা শোভাযাত্রা চোখে পড়েনি। তবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গাড়ী বহরযোগে মনোনয়নপত্র দিতে আসতে দেখা যায় প্রার্থী ও সমর্থকদের। মনোনয়নপত্র দাখিলের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ দুই জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের প্রার্থী এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আচরণবিধি না মানার বিষয়টি ছিল চোখে পড়ার মতো। অবশ্যই, বাইরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে সেই ধরনের ঘটনা খুব একটা ঘটেনি। চুয়াডাঙ্গা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, বাইরে ব্যাপক লোকসমাগম থাকলেও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে কোনও প্রার্থীর পক্ষে ছয় জনের বেশি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
এরআগে, গত আট নভেম্বর নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। এর চারদিনের মাথায় কমিশন নির্বাচন এক সপ্তাহ পিছিয়ে পুনঃতফসিল দেয়। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৮ নভেম্বর। প্রার্থিতা বাছাই ২ ডিসেম্বর। মনোয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ ডিসেম্বর ও ভোট গ্রহণ ৩০ ডিসেম্বর। এ হিসাবে বুধবার বিকাল পাঁচটায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ হয়।