চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ইসলামপাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে বিপত্তি স্ত্রীকে হত্যার পর ঘরের আড়াই ঝুলিয়ে রাখলো স্বামী

258

শহর প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ইসলাম পাড়ায় হোমিওপাতি ডা: টুটুলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে হত্যার পর ঘরের আড়ায় গলাই ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার দুপুরের চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় শ্মশান পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার মুত্রাপুর গ্রামের সিদ্দীক মন্ডরের ছেলে টুটুল ইসলাম ওরফে রুবেলের সাথে চুয়াডাঙ্গা ইসরাম পাড়ার আজিজুলের মেয়ে মুক্তার সাথে পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই টুটুল তার শ্বশুরের জমিতে শ্মশান পাড়ায় বসবাস করতেন এবং শ্মশান পাড়ার মোড়ে মা হোমিও হলে হোমিও পাতি ডাক্তারি করতেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ডা: টুটুল দীর্ঘদিন যাবত স্ত্রী মুক্তাকে মারধরসহ অত্যাচার করে আসছেন। গতকাল পারিবারিক কলহের জেরধরে স্ত্রী মুক্তাকে হত্যার পর শ্মশান পাড়ার বাড়িতে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।  এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছেন। নিহত মুক্তার ভাই নাজমুল বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমার বোনের উপর যৌতুকের জন্য মারধর ও নির্যাতন চালাতো। আমরা ৯লক্ষ টাকা যৌতুক ও ১টি ডিসকোভার মোটরসাইকেল দেয়া হয়েছে। তবুও আমার বোনটাকে মেরে ফেললো ঘাতক টুটুল। মুক্তার বাবা বলেন, টুটুলের আগেও একটি বিয়ে করেছিল, ওর একটা ৮বছরের ছেলেও আছে। আমরা পরে জানতে পেরেছি। আর আমার মেয়ে মুক্তার বিয়ের পর থেকেই টুটুল বিভিন্ন মেয়েদের নিয়ে সময় কাটাতো। আমরা বিষয়টি টুটুলকে বললে সে আমার মেয়ে মুক্তার উপর রঅত্যাচার ও মারধর করতো। এরই জেরধরে আমার মেয়েকে হত্যা করে ঘরে ঝুলিয়ে রেখে পালিযে গেছে। এদিকে এলাকার কিছু লোক নাম না প্রকাশ করার শর্তে শর্তে বলেন, মুক্তার নামে ৩ কাটা জমি দিয়েছিল মুক্তার বাবা। জমিটা টুটুলের নামে লিখে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন থেকে অত্যাচার করতো। এরই জের ধরে গতকাল টুটুল তার স্ত্রী মুক্তাকে হত্যার পর ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর ফাড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ফাড়ির টিএসআই ওহিদুলের কাছে জানতে চাইলে তিনিি বলেন, আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছি এটা হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছ্ েতবে আগামীকাল ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এদিকে মুক্তা ২বছরের নামের একটি মেয়ে  আছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুক্তার পরিবারের সদস্যরা চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহা: হোলাম মস্তফা (মাস্তার) ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন এবং প্রতিবেদককে বলেন আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছি হত্যা করে ঘরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।