চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় রোকসানা খাতুন ফিরে পেল সুখের সংসার

61

সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জাহিদের মধ্যস্থতায় রোকসানা খাতুন ফিরে পেল সুখের সংসার। খাদিজা, আয়েশা ও আব্দুল্লাহ পেল পিতৃস্নেহ। গতকাল শনিবার ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’ এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় রোকসানা খাতুনের ভাঙা সংসার জোড়া লাগে।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা ভিমরুল্লাহের রবিউল হকের মেয়ে রোকসানা খাতুন (৪০)-এর সাথে ২০ বছর পূর্বে বাস্তপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৪৫)-এর বিবাহ হয়। তাদের সংসারে খাদিজা খাতুন (১৩), আয়েশা আক্তার (০৬) ও আব্দুল্লাহ নামের তিনটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর হতে বিভিন্ন সময়ে শরিফুল ইসলাম যৌতুকের জন্য তার স্ত্রীকে চাপ দিতে থাকে। ফলে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ দেখা দেয়। সংসারে চলমান বিরোধ এমন একপর্যায়ে পৌঁছায় যে, চলতি মাসের ৩ তারিখে শরিফুল ইসলাম তার স্ত্রীকে দুই লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং টাকা না দিলে তালাক দিবে মর্মে হুমকি দেয়। এমতাবস্থায় রোকসানা খাতুন তার ৩টি সন্তান ও নিজের অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টারকে দায়িত্ব দেয়। “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” উভয়পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পরে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় শরিফুল ইসলাম তার স্ত্রী রোকসানা খাতুনকে পুনরায় নিজ বাড়ীতে ফিরিয়ে নিয়ে সংসার করতে সম্মত হয়।