চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুসের নির্দেশে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো সেই স্কুলছাত্রী

294

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাল্য বিয়েকে লাল কার্ড কর্মসূচীর আওতায় বাল্য বিয়ে বন্ধে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস। চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর সেই ছাত্রীর বাল্য বিয়ে নিয়ে দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বিয়ের অনুষ্ঠান পন্ড করে দিলো সদর উপজেলা প্রশাসন। বিভিন্ন মহলের সাধুবাদ জ্ঞাপন।
গতকাল শক্রবার দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রথম পাতায় “আজ বিয়ের পিড়িতে বসবে এক স্কুল ছাত্রী!” শিরোনামে দৌলতদিয়াড়ের আলফা লেদের স্বত্বাধিকারী মজনুর রহমানের কন্যা নামের অদ্যক্ষর (প)’কে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে পত্রিকা দেখে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৃণাল কান্তি দে’কে বিয়ে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঐ স্কুল ছাত্রীর পৈতৃক বাড়ি দৌলতদিয়াড়ের মার্কাজ মসজিদের সামনে উপস্থিত হয়ে বালিকা বধূর বেঁশে বাল্য বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগেই সমস্ত আয়োজন পন্ড করে দেন উপজেলা ভূমি অফিসার পূলক কুমার মন্ডল। তবে এহেন কর্মকান্ডে কাউকে জেল বা জরিমানা করা হয়নি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলুকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসলাম উদ্দীনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ।
এদিকে, স্কুল ছাত্রী (প)’কে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা করায় জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস ও দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে সাধুবাদ জানিয়েছেন ঐ স্কুল ছাত্রীর সহপাঠী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা।