চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ৪ জুন ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গায় মেলার মাঠ থেকে ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে

কলেজছাত্রকে পিটিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই
সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুন ৪, ২০২২ ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় মেলার মাঠ থেকে ফেরার পথে আব্দুস সালাম (২২) নামের এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।  গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশনের নিকট এ ঘটনা ঘটে। পরে তিনি নিজ মেসে ফিরে এসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সহপাঠীরা তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়। ছিনতাইকারীর কবলে পড়া আব্দুস সালাম চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার একতারপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ও চুয়াডাঙ্গা পৌর কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ সড়কের লিটস ভার্সিটি মেসে থেকে লেখাপড়া করেন।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পড়ে রুমমেটের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে চলমান বিসিক শিল্প, বাণিজ্য ও পণ্য মেলায় যান তিনি। মেলার মাঠ ঘুরে রাত নয়টার দিকে নিজ মেসের দিকে ফিরছিলেন তাঁরা। স্টেডিয়ামের সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রর নিকট পৌঁছালে অজ্ঞাত তিন-চারজন তাঁদের পথরোধ করে। পরে আব্দুস সালামেকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে তাঁর মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় আব্দুস সালামের রুমমেট তাঁকে নিয়ে মেসে ফিরে আসেন। পরে আব্দুস সালাম অচেতন হয়ে পড়লে মেসের অন্যান্য ছাত্ররা তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। এসময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আব্দুস সালাম অভিযোগ করে বলেন, ‘রাত নয়টার দিকে মেলার মাঠ থেকে রুমমেটের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে স্টেশনের পেছনের রাস্তা দিয়ে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলাম। এসময় অজ্ঞাত তিন-চারজন আমাদের পথরোধ করে আমাকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মেরে আহত করে। পরে আমার মোবাইল ও ১৫ হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. হাসনাত পারভেজ শুভ বলেন, রাত সাড়ে নয়টার দিকে ওই যুবককে জরুরি বিভাগে নেয়। তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়েছে বলে জানতে পারি। জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি বিভাগে ভর্তি রাখা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে সদর থানা পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।