চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসী স্বামীর বন্ধুর সাথে প্রেম, বিয়ে। অতপর..?

442

শহর প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোটশোলুয়া গ্রামের ইউসুপ আলীর মেয়ে চম্পা খাতুনের (২০) সাথে একই ইউনিয়নের গবরগাড়া গ্রামের মসজিদপাড়ার মনির হোসেনের ছেলে নিজাম উদ্দিনের (৪০) সাত বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে তানিয়া (৫) একটি মেয়ে ছিল। সংসারের সচ্ছলতা আনতে গত ৪ বছর আগে নিজাম মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়। একই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ফারুক নিজামের খুব ভাল বন্ধু ছিল। নিজাম বিদেশ থাকায় বন্ধু ফারুক নিজামের স্ত্রী চম্পার খোজখবর নেয়। গত দুই মাস আগে বাড়ীতে কেউ না থাকার সুযোগে ফারুক চম্পার ঘরে ঢোকে। টের পেয়ে চম্পার শ্বাাশুড়ী বাইরে থেকে ছিটকেনি দিয়ে দেয়। তখন চম্পার চাচা শ্বশুর হোসেন ডাক্তার কৌশলে কাজী ডেকে আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে একই দিনে দু’জনকে বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের একমাস না পেরুতেই চম্পার গর্ভে সন্তান আসে। তখন ফারুক চম্পার সাবেক চাচাশশুড় হোসেন ডাক্তারের সাথে যুক্তি করে চম্পাকে সন্তান নষ্টের ঔষধ খাওয়ায়। শিওর হওয়ার জন্য চুয়াডাঙ্গা মা ও শিশু কেন্দ্রে নিয়ে আসে। শেষমেষ গত মাসের ৩০ তারিখে চম্পা পেটের ব্যথায় ছটফট করতে থাকলে তাকে নিয়ে স্বামী ফারুক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল রোডে দেশ ক্লিনিকে নিয়ে ডা. সোনিয়া আহম্মেদকে দেখায়। গর্ভের সন্তান নষ্ট থাকায় চম্পাকে বাচাতে ডিএনসি করে দেন তিনি। গতকাল আবার চম্পার রক্তক্ষরণ শুরু হলে চম্পার পরিবারের লোকজন তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আরো জানা যায়, ফারুক চম্পাকে গতমাসের ১০ তারিখে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেয়। কোট থেকে নকল তুলে চম্পা তালাকের বিষয়টি নিশ্চত হয়। অথচ ফারুক তালাক দেয়ার পরও চম্পার সাথে দেখাশোনা করে এবং সন্তান নষ্ট করে দেয়।