চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট আজ

200

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়ায় তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গত শনিবার সকালে ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরিক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রোববার ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়ার কথা থাকলেও প্যাথলজি রিপোর্ট এখনো হাতে পায়নি মেডিকেল টিম। আজ সোমবার প্যাথলজি রিপোর্ট হাতে পেলে মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে তা জানানো হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির বলেন, শিশুটির সব ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্যাথলজি রিপোর্টটি এখনো পাওয়া যায়নি। আগামীকাল (আজ) সোমবার প্যাথলজি রিপোর্ট পেলে ফলাফল প্রাপ্তি সাপেক্ষে মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে জানানো হবে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. আকলিমা খাতুন জানান, শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার (গতকাল) সব পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার কথা থাকলেও প্যাথলজি রিপোর্টটি পাওয়া যায়নি। আগামীকাল (আজ) সোমবার শিশুটির প্যাথলজি রিপোর্ট পেলে তা মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে জানানো হবে। শিশুটি এখনো চিকিৎসাধীন আছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন মোটামোটি ভালো।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাঁড়ি পাইকপাড়া গ্রামের হঠাৎপাড়ার দিনমজুরের মেয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে একটি স্যালোমেশিন ঘরের মধ্যে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে একই এলাকার মারফত আলীর ছেলে আহমদ আলীর বিরুদ্ধে। পরে স্কুলছাত্রী বিষয়টি পরিবারের কাছে জানালে তার পরিবারের সদস্যরা ওই রাতেই তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আহমদ আলী পলাতক রয়েছেন।