চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ১ জানুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গায় চনিি মশিয়িে তরৈি হচ্ছে ভজোল খজেুর গুড়!

সমীকরণ প্রতিবেদন
জানুয়ারি ১, ২০১৮ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নজিস্ব প্রতবিদেক: চুয়াডাঙ্গায় খজেুর গুড়রে সাথে মশোনো হচ্ছে চনি।ি জলোর সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজলোর প্রায় প্রতটিি গ্রামইে প্রতবিছর উৎপাদতি হয় কয়কে হাজার মন খজেুররে গুড়। তবে ইতমিধ্যে এই খজেুররে গুড়রে সাথে প্রতদিনি হাজার হাজার কজেি চনিি মশ্রিতি করে খজেুর গুড় উৎপাদন করছে অসাধু গুড় ব্যবসায়ীরা। এতে করে খজেুর গুড়রে নামে অতরিক্তি র্অথ ব্যয় করওে প্রতারতি হচ্ছনে ভোক্তারা। জানা গছে,ে বাজারে চনিরি দামরে চয়েে খজেুর গুড়রে দাম বশেি হওয়ায় অন্তত পাঁচ-সাত বছর ধরে গাছরিা এ প্রক্রয়িায় ভজোল খজেুর গুড় উৎপাদন ও বক্রিি করছ।ে খোঁজ নয়িে জানা যায়, বাজারে যসেব খজেুর গুড় এখন পাওয়া যাচ্ছ,ে তার শতকরা ৯৫ ভাগই চনিি মশোনো। গাছরিা জানান, শীত যত বশেি পড়ে খজেুর গাছ থকেে তত বশেি রস সংগৃহীত হয়। এবার শীতরে তীব্রতা শুরু থকেইে অনকে কম। ফলে খজেুর গাছ থকেে রস সংগ্রহরে পরমিাণও কম হচ্ছ।ে আবার আগরে মতো পরত্যিাক্তা জমি না থাকায় গ্রামঅঞ্চলে ঝোঁপ ঝাড় কমে গছেে এতে করে জলোর অনকে খজেুর গাছ কমছে।ে পরকিল্পতিভাবে খজেুর গাছ রোপণ করা না হলওে ঝোঁপ ঝাড়রে সঙ্গে ব্যাপক হারে খজেুর গাছ কটেে ফলো হয়ছে।ে ফলে আগরে চয়েে রস সংগ্রহরে পরমিাণ অনকে কমছে।ে কন্তিু জনসংখ্যা বৃদ্ধরি কারণে বাজারে গুড়রে চাহদিা অনকে বড়েছে।ে চাহদিার সঙ্গে যোগান ঠকি রাখতে গাছরিা খজেুর রসরে সঙ্গে চনিরি মশ্রিণে বশেি গুড় তরৈি করছ।ে চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া গ্রামরে কৃষক রফকি আলী বলনে, খজেুর রস গাছ থকেে সংগ্রহ করে এক কজেি গুড়ে পরণিত করতে যে পরমিাণ খরচ হয়, র্বতমান বাজার দামে বক্রিি করে তমেন খুব একটা লাভ হয় না। এর অন্যতম কারণ হলো জ্বালানরি দামও বড়েছে।ে আর এ কারণইে অধকিাংশই কৃষক রস জাল করার সময় তাতে চনিি মশিয়িে সগেুলো খজেুর গুড়ে পরণিত করছ।ে বদরগঞ্জ গ্রামরে কৃষক বাবলু হোসনে বলনে, ‘শতকরা এখন ৯৯ জনই খজেুর রসরে সঙ্গে চনিি মশিয়িে গুড় করছ।ে এতে বাড়তি আয় হচ্ছ।ে তবে তনিি আসল গুড়ই বক্রিি করছনে। আর তার গুড় বাজারে বক্রিি হচ্ছে বশেি দামইে। ফলে তনিি চনিি না মশিয়িে আসল গুড়ই বক্রিি করছনে। পাইকারী ব্যবসায়ী জমসদে আলী বলনে, ‘বাজারে এখন প্রায় সব গুড়ইে চনিি মশোনো থাক।ে এটি ক্ষতকিারক না হলওে ভোক্তারা হচ্ছনে প্রতারতি। কারণ ভোক্তারা খজেুর গুড় মনে করইে বাজার থকেে সংগ্রহ করছনে। কন্তিু তাতে যে চনিি মশোনো থাকছ-ে তা তারা টরে পাচ্ছনে না। ফলে গুড়রে দামে চনিি কনিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা দয়ি।ে যা শীতকালে এ অঞ্চলরে র্অথনীততিে বড় ধরনরে ক্ষতরি ভূমকিা রাখ।ে তবে চনিি মশোনোর বষিয়টি জানা নইে বলওে দাবি করনে অনকে ক্রতোরা। খজেুর গুড়রে সঙ্গে চনিি মশোলে স্বাস্থ্যরে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কন্তিুু খজেুর গুড় খজেুর গুড় হসিবেইে বাজারজাত করা কি উচতি। গুড়রে সঙ্গে চনিি মশিয়িে সগেুলোও গুড় হসিবেে বক্রিি করায় ভোক্তারা প্রতারতি হয়। কাজইে এধরনরে কাজরে সঙ্গে যারা জড়তি, তাদরে খুঁজে বরে করে প্রশাসন ব্যবস্থা নতিে পার।ে তাহলে এ অসাধু প্রক্রয়িা বন্ধ হয়ে যাব।ে

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।