চুয়াডাঙ্গায় এক দিনে প্রায় দু’হাজার জনের করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ

20

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় এক দিনে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন প্রায় দু’হাজার নারী-পুরুষু। চুয়াডাঙ্গার ভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরুর পর থেকে গতকাল পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন ৮ হাজার ৪২২ জন। চলতি মাসের ৮ তারিখ থেকে সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গাতেও করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল শনিবার জেলায় এক দিনে করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন ২ হাজার ৬০ জন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ৬৭ জন ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ১ হাজার ৯৯৩ জন।
জানা যায়, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হলো। গত বুধবার সকাল ১০টায় টিকাবাহী গাড়ি চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসে এসে পৌঁছায়। এইদিন চুয়াডাঙ্গা জেলার জন্য বরাদ্দকৃত দ্বিতীয় ডোজের প্রথম ধাপে ৩ হাজার ৯শ ভায়েল বা ৩৯ হাজার টিকা বুঝে নেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের করোনা টিকা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে বেক্সিমকো ওষুধ কারখানা থেকে টিকাবাহী গাড়িযোগ বুধবার সকাল ৮টায় কুষ্টিয়ায় পৌঁছায়। সেখান থেকে টিকাবাহী গাড়িটি যাত্রা করে সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিনে আসে। এসময় সিভিল সার্জন উক্ত টিকা বুঝে নেন। সিভিল সার্জন অফিস থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ওইদিনই টিকাগুলো জেলার অন্যান্য উপজেলা টিকাকেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়।
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত দুই মাস ১০ দিনে জেলায় মোট করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ৫৭ হাজার ৩২৪ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় টিকা নিয়েছেন ১০ হাজার ৫৩৫জন, আলমডাঙ্গায় ২৭ হাজার ৬৬৮জন, দামুড়হুদায় ১২ হাজার ৩২৫ ও জীবননগরে ৬ হাজার ৭৯৬জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩১ হাজার ৭১৩ জন ও নারী ২৫ হাজার ৬১১ জন।
৮ এপ্রিল থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কর্মসূচির ৭ দিনে জেলায় মোট টিকা গ্রহণ করেছেন ৮ হাজার ৪২২জন। এর মধ্যে সদর উপজেলার ৩ হাজার ৩৩ জন, আলমডাঙ্গার ২ হাজার ৩৫৫ জন, দামুড়হুদার ১ হাজার ৭৪৮ জন ও জীবননগরে ১ হাজার ২৮৬ জন।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ও করোনা টিকাদান কমিটির আহ্বায়ক ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, ‘জেলায় রোজার মাসেও করোনা টিকাদান কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিদিন যেমন করোনা টিকার জন্য নতুন রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে একইভাবে টিকা গ্রহণ করছেন। এখন পর্যন্ত জেলায় টিকা গ্রহিতাদের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দেয়নি। জেলায় করোনা টিকার মোট প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ৫৭ হাজার ৩২৪ জন ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন ৮ হাজার ৪২২জন।