চুয়াডাঙ্গায় একদল যুবকের হামলায় কলেজ ছাত্রলীগের দু’কর্মী জখম

292

চুয়াডাঙ্গায় একদল যুবকের হামলায় কলেজ ছাত্রলীগের দু’কর্মী জখম
প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ: ২৪ ঘন্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতারে আল্টিমেটাম
19832712_1897035020539359_723808741_nনিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সিনেমাহল পাড়ার রাস্তায় একদল যুবকের আক্রমণে কলেজ ছাত্রলীগের দু’কর্মী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবাদে জড়িতদের ধরতে পুলিশি সহায়তা ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে মিছিল-সমাবেশ করেছে পৌর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
গতকাল সন্ধ্যায় প্রতিদিনের ন্যায় অটোযোগে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চাঁদমারী মাঠে যাচ্ছিল পৌর শহরের সাতগাড়ির রবিউল ইসলামের ছেলে রাব্বি (১৮) ও ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ড পাড়ার মুনজুরুল হকের ছেলে মিরাজ (১৮)। এ সময় তাদের উপর একদল যুবক দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে আক্রমন চালায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অজ্ঞাত যুবকদের আক্রমণে রাব্বির এক হাত ভেঙে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থান আঘাত প্রাপ্ত হয়। এ ঘটনায় মিরাজও আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।
ঘটনার বর্ণনায় রাব্বি জানায়, প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় অটোযোগে চাঁদমারী মাঠে যাচ্ছিলাম আমি ও মিরাজ। পান্না সিনেমাহল পার হলে অটো থামিয়ে প্রতিপক্ষের ১০-১২জন যুবক দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এদিকে রাব্বি ও মিরাজের উপর নগ্ন হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান মাফির নেতৃত্বে কলেজ রোড থেকে একটি মিছিল বের করে কোর্ট মোড় হয়ে বড়বাজার চৌরাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ, যুগ্ম সম্পাদক জ্যাকি হোসাইন, পৌর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইমরান হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ সামি তাপু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ইমদাদুল হক সজলসহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, অস্ত্র নিয়ে ওৎ পেতে বসে থেকে রাব্বি ও মিরাজের উপর হামলা করে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। আক্রমণকারী ছাত্রলীগ নামধারী কেডারদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যারা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদেরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কারের আহ্বান জানান বক্তারা। প্রতিবাদ সভা থেকে আল্টিমেটাম জানিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেওয়ার দাবি জানান। তা না হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আর ঘরে ফিরে যাবে না বলে হুশিয়ারী দেন।
এঘটনায়, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ইমদাদুল হক সজল বাদী হয়ে ৬জনকে আসামী করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা রেকর্ড হয়েছে বলে জানা গেছে।