চুয়াডাঙ্গা রবিবার , ২৯ মে ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান

ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালাসহ পাঁচ প্রতিষ্ঠান বন্ধ
সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
মে ২৯, ২০২২ ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গাতেও অবৈধ ক্লিনিক, প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানের খবরে কয়েকজন অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক তালা লাগিয়ে বন্ধ করে পালিয়ে যান। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল এলাকায় সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ২৫টি ক্লিনিক, প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাগজপত্র ও মান যাচাই-বাছাই করা হয়। এসময় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করে বন্ধ করা হয় ও নবায়নকৃত কাগজপত্র দেখাতে না পাড়ায় আরো দুইটি প্রতিষ্ঠানকে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ‘সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে সারা দেশে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়ে তিন দিনের সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়ক এলাকায় বেশ কিছু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত অভিযানে ক্লিনিক, প্যাথলজি ও  ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মধ্যে কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাৎক্ষনিক সেন্ট্রাল মেডিকেল সেন্টার, আমাদের সনো ও চুয়াডাঙ্গা আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেন্টার সিলগালা করে বন্ধ করা হয়। এছাড়াও নবায়নকৃত অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে না পাড়ায় তিশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ইসলামী হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক বিভাগ মৌখিকভাবে বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। এদিকে, অভিযানের খবরে সদর হাসপাতাল সড়ক এলাকার বেশকিছু অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রেখে পালিয়ে যান মালিকরা।

অভিযান পরিচালনাকারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তিন দিনের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে সদর হাসপাতাল এলাকার ২৫ টির বেশি ক্লিনিক ও প্যাথলজিতে অভিযান চালানো হয়েছে। এরমধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় লাইসেন্সপ্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির বলে তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়। এছাড়াও নবায়নকৃত কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তিসা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ইসলামি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়াও যে সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে পালিয়ে গেছে পরবর্তাতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতায় ছিলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. তারেক জুনায়েদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসীনসহ থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।