চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ১ ডিসেম্বর ২০২০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গার সুজায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ১, ২০২০ ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Girl in a jacket

প্রতিবেদক, তিতুদহ:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুজায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্তে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তালেব।
জানা যায়, গত ৮ নভেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান তাঁর ভাই মেহেরপুরের বারাদীর একটি এনজিওতে চাকরিরত আতিয়ার রহমানকে গোপনীয়ভাবে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেন। সুজায়েতপুর গ্রামের সাবেক মেম্বার মহিউদ্দীন বিগত কয়েক বছর যাবত অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে কয়েকমাস পূর্বে কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও মহামারি করোনাভাইরাসের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়নি। এদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপনে তাঁর ভাইকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেন।
এবিষয়ে সাবেক সভাপতি মহিউদ্দীন বলেন, ‘কাউকে না জানিয়ে ৩ নভেম্বর ৪ জন বিদ্যোৎসাহী অভিভাবক সদস্য ও ৮ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে। বিষয়টি জানতে পেরে ১০ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিই। অভিযোগের সূত্রে শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের কথা-বার্তায় নতুন কমিটি তৈরিতে সরকারি নীতিমালা অমান্য করার প্রমাণ পেয়েছেন। নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কর্তৃক অনুমোদন করা প্রায় সকলেই ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণ। এনিয়ে ১২ মার্চ শিক্ষা অফিসার বরাবর আরও একটি অভিযোগ করি।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘সুজায়েতপুর গ্রামে সভাপতি হিসেবে উপযুক্ত কাউকে না পাওয়ায় আমার ভাইকে দায়িত্ব দিয়েছি।’
গ্রামের অভিভাবকগণ বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ব্যবহারে অনেকে তাদের সন্তানদের পাশের গ্রামের বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছে। নতুন কমিটির সভাপতি অন্য জেলার এনজিওতে চাকরি করে, তাঁকে তো কোনো সময়ই বিদ্যালয়ের কাজে পাওয়া যাবে না। এমন কাউকে আমরা সভাপতি হিসেবে মেনে নিতে পারছি না।’
এবিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তালেব বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি এবং বিভিন্ন কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেছি। খুব দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেব।’

Girl in a jacket

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।