চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. মারুফ হাসান সন্ধ্যা হলেই হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগী দেখেন,

194

রুদ্র রাসেল:
চুয়াডাঙ্গার বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান চুয়াডাঙ্গা এসেছেন কয়েক মাস আগে, এর মধ্যেই তিনি দায়িত্ব-নিষ্ঠায় অর্জন করেছেন মানুষের ভালোবাসা। চিকিৎসাসেবা প্রদানকে তিনি যে নিজ ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন, এর প্রমাণ মেলে তাঁর সচেতন কর্মকা-ে। সময় পেলেই তিনি রোগী দেখতে ঢুকে পরেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে।
গতকাল শুক্রবার ছুটির সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন এবং মেডিকেল অফিসারের চেয়ারে বসে শুরু করেন রোগী দেখতে। সেখানে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাতটা পর্যন্ত রোগী দেখেন, রোগীদের খোঁজখবর নেন তিনি। চলতি বছরের ৭ জুলাই তিনি চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে মাঝেমধ্যেই তাঁকে সন্ধ্যার পর হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গায় গত জুলাই মাসে ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও আগস্ট মসে ডায়রিয়ার মহামারিতে যখন হাসপাতালের সিঁড়ির নিচেও রোগীরা স্থান নিয়েছিল, তখন সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানকে প্রায় প্রতিদিনই দেখা গেছে ওয়ার্ডে ঘুরে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে। সে সময় তিনি নিয়মিতই সন্ধ্যার পর হাসপাতালের ওয়ার্ডে এসে রোগী দেখেছেন, রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন। চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের রোগীদের প্রতি এমন ভালোবাসা ও তাঁর দায়িত্বনিষ্ঠার গুণে জরুরি বিভাগে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর মুখে শোনা গেছে তাঁর প্রশংসা।
ছুটির দিনে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসে রোগী দেখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রোগীদের সাথে আমার সম্পর্ক অনেক দিনের। আজ ছুটির দিনের সন্ধ্যাটা ভালো কাটাতেই জরুরি বিভাগে এসে রোগী দেখছি। এ ছাড়াও জরুরি বিভাগে অনেক ভিড়ও ছিল। রোগী দেখাও হলো, সেই সাথে কর্তব্যরত চিকিৎসককে সাহায্য করাও হলো।’
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও রোগীরাও সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের সেবাব্রতগুণে মুগ্ধ এবং হাসপাতালে তাঁর এসব সেবামূলক কর্মকা-কে দেখছেন মহানুভবতা হিসেবেই।