চুয়াডাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিলনের দাফন সম্পন্ন

376

বিশেষ প্রতিবেদক:
বেদনাবিধুর পরিবেশে চুয়াডাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজমল হোসেন মিলনের দাফনকার্য সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার তারাবির নামাজের পর নামাজে জানাযা শেষে জান্নাতুল মওলা গোরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে তাঁর মরদেহ সন্ধ্যা ৭টায় দর্শনা-গেঁদে সীমান্ত হয়ে সড়ক পথে চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়। কফিন ভর্তি মরদেহ কলেজপাড়াস্থ বাসভবনে এসে পৌঁছালে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শেষ বিদায় জানাতে আসে শোকে কাতর প্রতিবেশি, বন্ধু মহল, ব্যবসায়ীক সহকর্মী ও গুণাগ্রাহীরা। জানাযার নামাজেও মুসুল্লির ঢল নামে।
এদিকে, প্রবীণ ব্যবসায়ী আজমল হোসেন মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিক, পরিচালক মনজুরুল আলম মালিক লার্জ, শাহরিন হক মালিক, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আসাদুল হোসেন জোয়ার্দ্দার লেমন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের জগলু, সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার ইবু, নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী নেতা সুমন পারভেজ খান (নন্দন)। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সময়ের সমীকরণ পরিবারের পক্ষে সমবেদনা প্রকাশ করেছেন সম্পাদক ও প্রকাশক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক সেলিমুল হাবীব সেলিম, বিশেষ প্রতিবেদক এসএম শাফায়েতসহ বিভাগীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকরা।
উল্লেখ্য, আজমল হোসেন মিলন চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের কোর্টপাড়ার বিশিষ্ট ঠিকাদার মৃত আবুল হোসেনের বড় ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। এ অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত বুধবার সকালে দর্শনা-গেঁদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য বিমানযোগে চেন্নাই নিতে চাইলে শারীরিক অবস্থা (ফিটনেস) খারাপ হওয়ায় তাকে ফিরিয়ে দেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে কোলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে আসা হয় তাকে। গত শুক্রবার সকাল ১১টায় কোলকাতার সোনাপুর হাসপাতালের চিকিৎসক অভিজিৎ রায়ের কাছে নেয়ার পথে হাসপাতাল ফটকেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।