চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গার ছোটশলুয়া মৎসজীবী সমবায় সমিতি অবৈধ বলে অভিযোগ জেলা মৎসজীবি সমিতির চূড়ান্ত তালিকায় কোন নাম নেই : কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৮, ২০১৬ ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

dfawr

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ভূয়া মৎসজীবি সমিতি। এ সমস্ত ভূয়া মৎসজীবি সমিতির সদস্যদের দাপটে এলাকায় কঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত মৎসজীবিরা। এ ইউনিয়নের ছোট শলুয়া গ্রামের মাঝপাড়ায় গায়ের পুকুরের ধারে বেশ কয়েক বছর যাবৎ অবৈধভাবে গড়ে তুলেছে ছোটশলুয়া মৎসজীবি সমবায় সমিতি। আর এ সমিতির দেখভালের দায়িত্বে আছেন ওই গ্রামের মাঝপাড়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে কের”জ ডিস্টিলারী বিভাগের কর্মকর্তা মামুনার রশিদ মামুন। এ সমিতির সভাপতি নিজাম উদ্দিন ও সেক্রেটারী সাধু মালিথাসহ মোট ২০ জন সদস্য হিসাবে রয়েছে। কেও মৎসজীবি নয়। সরকারী প্রজ্ঞাপনুসারে একজনকে মৎসজীবি সদস্য হতে হলে তার মূল পেশা অবশ্যই মৎস চাষী (জেলে) হতে হবে। সেই সাথে একই ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত মৎসজীবি হতে হবে। এ সমিতিতে কোন সদস্যর নিবন্ধন নেই। বরং বাংলাদেশ সমবায় মৎসজীবি আইন লংঘন করে এ মৎসজীবি কমিটিতে অন্য ইউনিয়নের মৎস চাষী রয়েছে। যা সরকারী বিধিনুসারে সম্পূর্ণ অবৈধ। অথচ এ সমিতির সদস্যরা নিজেদের জেলা মৎসজীবি সমিতির আওতাধীন সদস্য বলে দাবী করে। এছাড়াও এই সমিতির কার্যক্রম অনেক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা মৎসজীবি সমিতির অফিসার মনজুর কাদেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছোটশলুয়া মৎসজীবি সমবায় সমিতি আইনের জটিলতা রায়েছে। ইতোপূর্বে তিনি সরেজমিনে তদন্ত গেলে ওই মৎসজীবি কমিটির কোন সদস্যই মৎসজীবি আওতায় পড়েনি। এদিকে ছোটশলুয়া মৎসজীবি সমবায় সমিতি কি আসলেই বৈধ না অবৈধ এনিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। তাই বিষয়টি সঠিক তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন এলাকার সচেতন মহল। চলবে.—–

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।