চার প্রতারকের হানা, ১১ লাখ টাকা দাবি!

233

আলমডাঙ্গার গোপালনগরে পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে
ভ্রাম্যমাণ প্রতিবেদক, আলমডাঙ্গা:
আলমডাঙ্গার গোপালনগরে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লাখ টাকা দাবি করেছেন চার যুবক। পরে স্থানীয় লোকজনের তোপের মুখে পলায়ন করেন চুয়াডাঙ্গার রাব্বিসহ ওই চার যুবক। গোপালনগর গ্রামের আনারুল নামের এক যুবক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এ ঘটনার তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নের গোপালনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সলেমানের ছেলে ইমন কয়েক মাস পূর্বে পুলিশ কনস্টেবলের চাকরি পান। বর্তমানে ইমন খুলনায় পুলিশের ট্রেনিংয়ে আছেন। এ সুযোগে গোপালনগর গ্রামের আনারুলের যোগসাজশে চুয়াডাঙ্গার রাব্বিসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই যুবক গতকাল শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে ১১ লাখ টাকার দাবিতে ইমনের বাড়িতে অবস্থান নেন। ইমনের পিতা এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা ইমনের চাকরি চলে যাবে বলে হুমকি প্রদান করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাৎক্ষণিক এলাকাবাসীর তোপের মুখে পালিয়ে যান ওই যুবকেরা। সংবাদ পেয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সী দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করেন এবং ওই যুবকদের আটক করতে নির্দেশ দেন। এ সময় মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিয়াকত হোসেন ফোর্স নিয়ে ইমনের বাড়িতে পৌঁছে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত শোনার পর এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত একই গ্রামের আনারুলের বাড়িতে তাঁকে খোঁজ করলে আনারুল পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে ইমনের পিতা সলেমান হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে চার যুবক আমার ছেলেকে চাকরি দিয়েছে বলে ১১ লাখ টাকা দাবি করে। এত টাকা দাবি করায় আমি ভয় পেয়ে গেছি। বিভিন্ন সময় তারা মোবাইলে ফোন করেও টাকা দাবি করেছে।’ তিনি এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করবেন বলে জানান।
মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত হোসেন জানান, কেউ এ ধরনের প্রতারণা করতে চাইলে, তা বরদাস্ত করা হবে না। তিনি যেই হোন, তাঁকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।