গড়াইটুপিতে হোল্ডিং ট্যাক্স দ্বিগুণ বৃদ্ধির অভিযোগ!

22

প্রতিবেদক, তিতুদহ:
স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদের আয়ের অন্যতম উৎস হল ট্যাক্স। সাধারণত ট্যাক্সের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালিত হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নে গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ ট্যাক্স বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে জনগণের মধ্যে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নের হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় থাকাকালীন হোল্ডিং ট্যাক্স যা নির্ধারিত ছিল, তার দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাধারণত মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে এ ট্যাক্স আরোপ করা হয়। সাবেক তিতুদহ ইউনিয়নের ২৯টি গ্রাম নিয়ে ইউনিয়নের দোচালা, দোচালা ভিতপাকা, চৌচালা কাঁচা, চৌচালা ভিত পাকা, টিন শেড পাঁকা, ছাদবিশিষ্ট পৃথক ঘরের জন্য পৃথক ট্যাক্স নির্ধারণ ছিল।
নির্বাচনের মাধ্যমে গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের পর বর্তমানে এই ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের ওপর পূর্বের হোল্ডিং ট্যাক্সের দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পূর্বে ২৯টি গ্রামের সমন্বয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলত, আর বর্তমানে নতুন গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলছে ১৪টি গ্রামের ট্যাক্স থেকে। যে কারণে ট্যাক্স বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও বাড়ি ভেদে টাকার পরিমাণে তারতম্য দেখা গেছে। কারো ছাদবিশিষ্ট বাড়িতে ৪ শ টাকা। আবার কারে সেমি পাঁকাঘরে ৪ শ টাকা।
এদিকে এলাকাবাসী জানান, মহামারী করোনাভাইরাসের লকডাউনের মধ্যে ট্যাক্স আদায়ের ফলে মানুষের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। একদিকে ঈদের বাড়তি খরচ, অন্যদিকে লকডাউন। মরার ওপর খাড়ার ঘা-এর মতো অবস্থায় দাঁড়িয়েছে।
এবিষয়ে গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান রাজু বলেন, বিগত ২০১৬ সালে ট্যাক্স নির্ধারণ করার পর ইউনিয়ন পরিষদ বিভাজন হবার পর এখন কর আগের চাইতে একটু বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত সরকারি বা এনজিওর মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে এই কর আরোপ করা হয়েছে। যদি ট্যাক্স নিয়ে কারো আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে তা লিখিত আকারে কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি আবেদন করত পারবেন বা আপিলের সুযোগ আছে। এছাড়া ম্যানুয়াল অনুযায়ী সকল কাজ করা হয়েছে।