চুয়াডাঙ্গা রবিবার , ১৫ মে ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাংনীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
মে ১৫, ২০২২ ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার রুইথনপুর গ্রামের ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হককে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় গাংনী রিপোর্টার্স ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগে বলেন, ‘আমি ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত ছিলাম। এরপর থেকে বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে খেদমত করে আসছি। বর্তমানে আমি ২০০৭ সাল থেকে মেহেরপুর জেলা, গাংনী উপজেলা ধানখোলা ইউনিয়নের চিৎলা গ্রামে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মসজিদের ইমামতি করে আসছি এবং বর্তমানে আমি এখানেই বসবাস করি। হঠাৎ করে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার হাত ভেঙ্গে যায়। এরপর ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি থাকি। এরমধ্যে আমার অপারেশনের তারিখ পরিবর্তন হলে গত ২২ মার্চ ২০২১ ইং তারিখে আমি গ্রামের বাড়িতে আসি। আমার বাবা মৃত মসলেম উদ্দীন, হোসেন আলী থেকে রেকর্ডীয় বর্ণনাঃ ২০ নং রুইথনপুর মৌজার ১৮১১ খতিয়ানে ও ৮১২২ দাগে ধানী শ্রেণির ০.১৭ একর ও ৮১২৩ দাগে ধানী শ্রেণির ০.৫৪ একর জমিসহ মোট ৭.৫২ একর জমির ১.০০ হিস্যায় রেকর্ডীয় মালিক হোসেন আলী মন্ডল, পিতা-জিলু মন্ডল, সাং-রুইথনপুর। আমার পিতা উক্ত জমি ক্রয় করে আমাদের সাত ভাইয়ের নামে রেজিস্ট্রি করেন এবং যার যার মতো সমতল জমিতে পানের চাষ করতে থাকে। কয়েক বছর পর পানক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। পরে আমার জমিতে ২০১০ সালে মেহগনি গাছ লাগানো হয়। হঠাৎ করে মকলেছুর রহমান ও মঈন উদ্দীন আমার জমিতে ঘর করার জন্য ইট আনেন। আমি তখন হাঁপানিয়া ক্যাম্প ইনচার্জ গোলাম মোস্তফার কাছে একটি অভিযোগপত্র দিয়েছিলাম। পুলিশ আমাদের ডেকে ১.০৬.২০২১ইং তারিখে একটি সমাধান করে দিয়েছিলেন। যার যা পজিশন সে সেখানে থাকবে। এদিকে হঠাৎ করে মঈন উদ্দীন মিথ্যাচার মামলা, হুমকি-ধামকি দিয়ে আমার জমির মেহগনি গাছ দখলের পায়তারা করে। অথচ আমার নামে মিথ্যা মামলার সময় আমি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলাম। অত্যন্ত দুর্দান্ত, দাঙ্গাবাজ, আইন অমান্যকারী, ভূমি দস্যু শ্রেণির ব্যক্তি বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে জোরপূর্বক আমার জমি দখল করে। যাদেরকে সে স্বাক্ষী মেনেছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেও মিথ্যাচারের বর্ণনা দেবে। আমার গাছের ছবি ও অসুস্থ থাকাবস্থার ছবি আছে। এমতবস্থায় আমি সাংবাদিক সমাজের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।