চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ১৯ নভেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাংনীতে কসাইদের সি-িকেট : মরা ছাগল জবাই : জনতার হানা মরা ছাগল জবাই ও মাংস বিক্রির চেষ্টার দায়ে ২ কসাইয়ের জেল জরিমানা

সমীকরণ প্রতিবেদন
নভেম্বর ১৯, ২০১৬ ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Mobilecourt Pic 18-11-16

গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনীতে কসাইরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মরা ছাগল জবাই করেছে। জবাইয়ের পর পর সাধারণ মানুষের খবর পেয়ে পৌর আ.লীগ ও সাধারণ জনতা এক হয়ে হানা দেয় পিল খানায়। ধরা পরে মরা ছাগল জবাই করা কসাই মোমিন ও বিক্রেতা কাব্বার”ল। পালিয়ে যায় এঘটনায় জরিত আরেক কসাই ইউনুস। পৌর আ.লীগের সভাপতি আনার”ল ইসলাম বাবু ও ৭নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক জহর”ল ইসলামসহ সাধারণ জনতারা কসাইদের গণধোলাই শেষে ভ্রাম্যমান আদালতে সোর্পদ করে। মরা ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করার অপরাধে দু’কসাইয়ের প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদন্ড ও ১০হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শুক্রবার দুপুরে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ-উজ-জামান এ দন্ড প্রদান করেন। দন্ডিতরা হলেন এ উপজেলার পূর্ব মালসাদহ গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে মোমিন (৪২) ও হিজলবাড়িয়া গ্রামের আমির”ল ইসলামের ছেলে কাব্বার”ল(৪০)। দন্ডিতদেরকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে এঘটনায় পালিয়ে যায় গোপালনগর গ্রামের ইদ্রীস আলীর ছেলে ইউনুস কসাই। সাধারণ জনতার দাবি পালিয়ে যাওয়া কসাই ইউনুসসহ সিন্ডিকেটের সকল কসাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত দু’কসাই রোগাক্রান্ত ছাগল কিনে নিয়ে আসার সময় সেটি মারা যায়। মারা যাওয়া ছাগলটি কৌশলে পিল খানায় নিয়ে জবাই করছিল। এসময় স্থানীয় লোকজন তাদেরকে ধরে ফেলে গণপিটুনী দেয়। সংবাদ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফ-উজ-জামান গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আনোয়ার হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাদেরকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিচালনা করেন। পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১১ (২২) ধারা অনুযায়ি অভিযুক্তরা তাদের দোষ স্বীকার করলে আদালত প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহায়তা করেন গাংনী প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মশিউর রহমান। এদিকে সাধারণ জনতার হাতে আটক হয়ে মাংস হাটে এসে মোমিন ও কাব্বারুল বলেছেন, এঘটনায় আমরা দুজন জরিত নয়। এই হাটে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মরা ছাগল জবাই ও মাংস বিক্রি করা হয়। আর এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দেয় হাসান কসাই। অন্যদিকে গাংনীর সাধারণ মানুষের দাবি অবিলম্বে সিন্ডিকেট বন্ধসহ এই ঘটনায় জরিতদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।