চুয়াডাঙ্গা সোমবার , ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খিদে পেলে নয়, সময় মতো খান

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

fgdস্বাস্থ্য ডেস্ক: বেহিসেবি না খেয়ে সময় মতো সঠিক পরিমাণ খান। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য। অনেকেই আছেন, ‘খিদে পেলে খাব’ এই সূত্রে বিশ্বাস করেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস খুব একটা স্বাস্থ্যকর নয়। পরবর্তী জীবনে এর ফলে আপনার বড় কোনও শারীরিক ক্ষতি হতেই পারে। চিকিৎসকরা এই অভ্যাসের নাম দিয়েছেন ‘ফুড ডিসঅর্ডার’। কিন্তু ঠিক কী কী কারণে ফুড ডিসওর্ডার হয়, একবার দেখে নিন সেই তালিকা। নির্দিষ্ট সময় খান:  অনেক পরিবারেই দেখা যায়, বেশ কয়েক প্রজন্ম ধরেই খাওয়ার সময় নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম নেই। সেই পরিবারে যারা বড় হন, তাদের ফুড ডিসঅর্ডার থাকাটা স্বাভাবিক। তাই চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস ছেড়ে বেরিয়ে না আসলে ভুগতে হবে পরবর্তী কালে। বেশি রোগা হওয়া : শরীরের আকার অনেক সময়েই খাবার দাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করার বিষয়ে প্রভাব ফেলে। যারা অনেকটাই রোগা, তারা ওজন বাড়ানোর জন্য এক একাধিক বার বেশি বেশি করে খেতে শুরু করেন হঠাৎ। কিন্তু এই অভ্যাস হঠাৎ করে শুরু করলে শরীরে উল্টো প্রভাব পড়ে। মোটা হওয়ার জন্য এলোমেলো খাবার খাওয়াটাও কাজের কথা নয়। ডায়েটিংয়ের অভ্যাস:  আপনি হয়ত রোগা হওয়ার জন্য আগে ডায়েটিং করেছেন। ওজন ঝরে গেছে, কিন্তু সেই অভ্যাস পাল্টাতে পারেননি। তাই নানা সময় খাওয়া দাওয়ার নানা রকম গোলমাল বাঁধছে। আগের অভ্যাস রেখে দিলে কিন্তু সমস্যায় পড়তে হবে আপনাকেই। ওজন ঝরে গেলে ফের স্বাভাবিক খাবারে ফিরে আসুন, আর ব্যয়াম করুন, তাতে শরীর ঠিক থাকবে। অবসাদ:  অনেক সময়েই অবসাদ আপনার খাবারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। মানে, ধরুন এক ধরণের কাজ করতে করতে আপনি ক্লান্ত বা পারিবারিক অশান্তি আপনার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সেই জন্য অনেক সময়ে খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস বদলে যায়। সময় মত খাবার খাওয়া হয় না, আরও সমস্যা বাড়ে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।