চুয়াডাঙ্গা বৃহস্পতিবার , ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আনন্দঘন পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় খোকন মেহেরপুরে গোলাম রসুল ঝিনাইদহে কনক কান্দি দাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত

সমীকরণ প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬ ২:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

2 (2) GR 2 Kono-Babu

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সেখ সামসুল আবেদীন খোকন ও গোলাম রসুল এবং ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাবু কনক কান্তি দাস বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত একটানা জেলাগুলোর ১৫টি কেন্দ্রের ৩০টি বুথে ভোট গ্রহন শেষ হলে জেলা রিটানিং অফিসার এই ফলাফল ঘোষণা করেন। ভোটগ্রহণ চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটারদের আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দিতে দেখা যায়।
আমাদের শহর প্রতিনিধি জানিয়েছে, গতকালের চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন চার জন প্রার্থী। কিন্তু চেয়ারম্যান পদে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, চাকসু’র সাবেক ভিপি এবং আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ শামসুল আবেদীন খোকন। তিনি মোবাইল প্রতীক নিয়ে জেলার ৫২৮ ভোটের মধ্যে ২৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও আ.লীগের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মনজু মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ২৪৭ ভোট পান। এছাড়া জাতীয় পার্টি (এরশাদ) চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. সোহরাব হোসেন আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ ভোট ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মামুন অর রশীদ আঙ্গুর ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পান ২ ভোট। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ১৫টি কেন্দ্রে নির্বাচনে জেলার ৫২৮ জন ভোটারের সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিকেলে জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৫জন সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিতরা হল:- ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে শহিদুল ইসলাম সাহান তালা প্রতীক নিয়ে ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আসাদুজ্জামান কবির হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ ভোট। ২ নং ওয়ার্ডে মাফলুকাতুর রহমান হাতি প্রতীক নিয়ে ১৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আতিয়ার রহমান তালা প্রতীকে ১০ ভোট পেয়েছেন। ৪ নং ওয়ার্ডে মাহবুবুর রহমান মোল্লা হাতি প্রতীক নিয়ে ১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আশরাফুল আলম টিউবওয়েল প্রতীকে ১০ ভোট পেয়েছেন। ৫ নং ওয়ার্ডে আবু মুছা ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে ১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শরিফুল ইসলাম হাতি প্রতীক নিয়ে ১০ ভোট পেয়েছেন। ৬ নং ওয়ার্ডে শ্রী তপন কুমার বিশ্বাস বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনোয়ার হোসেন টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ১৭ ভোট পেয়েছেন। ৭ নং ওয়ার্ডে খলিলুর রহমান হাতি প্রতীক নিয়ে ২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আলতাফ হোসেন অটোরিক্সা প্রতীকে ৯ ভোট পেয়েছেন। ৮ নং ওয়ার্ডে আশাবুল হক টিউবওয়েল প্রতীকে ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাজ্জাদুর ইসলাম হাতি প্রতীক নিয়ে ১১ ভোট পেয়েছেন। ৯ নং ওয়ার্ডে রকিবুল হাসান হাতি প্রতীক নিয়ে ২০ ভোত পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইমান আলী বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে ১২ ভোট পেয়েছেন। ১০ নং ওয়ার্ডে সিরাজুল ইসলাম বৈদ্যুতিক পাখা ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহিদুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ ভোট। ১১ নং ওয়ার্ডে শফিউল কবির টিউবওয়েল প্রতীকে ১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুর রশীদ বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ৮ ভোট। ১২ নং ওয়ার্ডে জাফর আলী বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নজির আহমেদ টিউবওয়েল প্রতীকে ১৬ ভোট পেয়েছেন। ১৩ নং ওয়ার্ডে মোসাবুল ইসলাম লিটন হাতি প্রতীকে ২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুস্তম আলী টিউবওয়েল প্রতীকে ৯ ভোট পেয়েছেন। ১৪ নং ওয়ার্ডে শফিকুল আলম হাতি প্রতীকে ২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি এসএম আশরাফুজ্জামান টিপু তালা প্রতীকে ১৬ ভোট পেয়েছেন।
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৫জন নির্বাচিত হল:- চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসনের ১ নং ওয়ার্ডে নুরুন্নাহার ফুটবল প্রতীকে ৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফরিদা ইয়াসমিন হরিণ প্রতীকে ৩৮ ভোট পেয়েছেন। ২নং ওয়ার্ডে হাছিনা খাতুন হরিণ প্রতীকে ৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শিপ্রা বিশ্বাস ফুটবল প্রতীকে ৩৪ ভোট পেয়েছেন। ৩ নং ওয়ার্ডে কাজল রেখা বই প্রতীকে ৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পিঞ্জিরা খাতুন দোয়াত কলম প্রতীকে ২৩ ভোট পেয়েছেন। ৪ নং ওয়ার্ডে তানিয়া বেগম ফুটবল প্রতীকে ৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চম্পা খাতুন হরিণ প্রতীকে ৪০ ভোট পেয়েছেন। ৫ নং ওয়ার্ডে মিতা খাতুন মাইক প্রতীকে ৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারা খাতুন ফুটবল প্রতীকে ২৪ ভোট পেয়েছেন।
আমাদের মেহেরপুর প্রতিনিধি জানিয়েছে, মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বেসরকারিভাবে ঘোষনা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম রসুল আনারস প্রতীক নিয়ে ১০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৮৫ ভোট পেয়ে পরাজয় বরণ করেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অপর দুই প্রার্থী মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস চশমা প্রতীক নিয়ে ৫০ভোট ও গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইদুজ্জামান খোকন তালগাছ প্রতীক নিয়ে ১৫ ভোট পেয়েছে। বুধবার বেলা ৩ টায় মেহেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মেহেরপুরের তিন উপজেলা, দুইটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়নের মোট ২৬৯ জন জনপ্রতিনিধি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একজন চেয়ারম্যান, ১৫জন সাধারণ সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যকে। ৩ ও ১১ নং ওয়ার্ডে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় দুজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সাধারণ সদস্য নির্বাচিত করেনে। এছাড়া, মেহেরপুরের ১৫টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। ১নং ওয়ার্ডে (বাগোয়ান) তালা প্রতিক নিয়ে ৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শাহীন উদ্দীন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাজ্জাক টিউবয়েল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ ভোট। ২ নং ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী) বিজয়ী হয়েছেন আজিজুল বারি। তিনি পেয়েছেন ১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রফিকুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৯ ভোট। ৩ নং ওয়ার্ডে (মহাজনপুর ও আমদাহ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন আলমাস হোসেন। ৪ নং ওয়ার্ডে (মেহেরপুর পৌরসভা) তালা প্রতীকে ৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন হাসানুল হক সবুজ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টিউবয়েল প্রতীকে মিজানুর রহমান অপু পেয়েছেন ৭ ভোট। ৫ নং ওয়ার্ডে (কুতুবপুর) নির্বাচিত হয়েছেন ইমতিয়াজ হোসেন। টিউবওয়েল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন  ৭ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী ইদ্রিস আলি মাষ্টার পেয়েছেন ৪ ভোট। ৬ নং ওয়ার্ডে (বুড়িপোতা) ৭ ভোট পেয়ে তালা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল কুদ্দুস। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল হাশেম অটোরিক্সা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ ভোট। ৭ নং ওয়ার্ডে (পিরোজপুর) রফিকুল ইসলাম টিউবয়েল প্রতীকে পেয়েছেন ০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরিফুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৬ ভোট। ৮ নং ওয়ার্ডে (আমঝুপি) হাতি প্রতীকে খাজা মঈনুদ্দীন ৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুস সামাদ তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ ভোট। ৯ নং ওয়ার্ডে (ধানখোলা) শওকত আলী বিজয়ী হয়েছেন। টিউবয়েল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাজ্জাক তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৬ ভোট। ১০ নং ওয়ার্ড ( গাংনী পৌরসভা ও রাইপুর) মজিরুল ইসলাম ২৫ ভোট পেয়ে তালা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারুল ইসলাম টিউবয়েলে তালা প্রতীকে পেয়েছেন ২ ভোট। ১১ নং ওয়ার্ড (কাথুলী ও সাহারবাটি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন তৌহিদ মোরশেদ। ১২ নং ওয়ার্ডে (তেঁতুলবাড়িয়া) মোহাম্মদ আলী টিউবয়েল প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতীক ছিল টিউবয়েল। তার নিকটতম প্রতদ্বন্দ্বী নাজমুল হুদা বিশ্বাস তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৫ ভোট। ১৩ নং ওয়ার্ডে (কাজিপুর) মনছুর আলী অটোরিক্সা প্রতীকে ৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাফিজুর রহামন টিউবয়েল প্রতীক পেয়েছেন ৪ ভোট। ১৪ নং ওয়ার্ডে (বামুন্দী ও ষোলটাকা) আইয়ুব আলী তালা প্রতীক বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৮ ভোট। ১৫ নং ওয়ার্ডে(মটমুড়া) তোফাজ্জেল হক হাতি প্রতীকে ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুজ্জামান অটোরিক্সা প্রতীকে পেয়েছেন ৫ ভোট। মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে ১নং ওয়ার্ডে (বাগোয়ান, দারিয়াপুর ও মোনাখালী এবং মহাজনপুর ও আমদাহ) নির্বাচিত হয়েছেন নারগির্স আরা। তার প্রতীক ছিল দোয়াত-কলম। তিনি পেয়েছেন ২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আফরোজা খাতুন ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ ভোট। ২ নং ওয়ার্ডে (মেহেরপুর পৌরসভা, কুতুবপুর ও বুড়িপোতা) সামিউন বাসিরা পলি টেবিল ঘড়ি প্রতীকে ২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেহেনা খাতুন ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ ভোট। ৩নং ওয়ার্ডে (পিরোজপুর, আমঝুপি ও ধানখোলা)শামিম আরা বিশ্বাস ফুটবল প্রতীক ৩৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সায়েরা খাতুন হরিণ প্রতীকে কোন ভোট পাননি। ৪নং ওয়ার্ডে (গাংনী পৌরসভা ও রাইপুর, কাথুলী ও সাহারবাটি এবং তেঁতুলবাড়িয়া) শাহানা ইসলাম হরিণ প্রতীকে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার বিপরীতে ফারহানা ইয়াসমিন ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ ভোট। ৫নং ওয়ার্ডে (কাজিপুর, বামুন্দী ও ষোলটাকা এবং মটমুড়া) গুলশানারা খাতুন ৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতীক ছিল ফুটবল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাজিয়া খাতুন হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ ভোট।
আমাদের ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানিয়েছে, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাবু কনক কান্তি দাস চশমা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৩৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হারুন অর রশিদ পেয়েছেন ৩৯২ ভোট। ভোট গননা শেষে বেসরকারীভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। জেলার মোট ৬৭টি ইউনিয়ন, ৬টি পৌরসভা ও ৬টি উপজেলা পরিষদের ৯৩৮ জন জনপ্রতিনিধি এই ভোট প্রদান করেন। এছাড়া সাধারন সদস্য পদে ১৫ এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৫জন প্রার্থী বিজয়ী হন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা ১৮ এবং সাধারন সদস্য পদে ৬১ জন প্রতিদ্বন্দিতা করেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।