কালীগঞ্জে ২৫টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

38

প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ:
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ২৫টি স্বেচ্ছাসেবী সেবামূলক সংগঠনের অংশগ্রহণে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার মানবতার কল্যাণে আরও ভালো কিছু করতে সবুজ দেশ নিউজ ও সবুজ বাংলা রেস্টুরেন্টের উদ্যোগে চিত্রা নদীর পাড়ে মিলনমেলা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লায়ন বিএম সাইদুজ্জামান সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ পৌরসভার প্যালেন মেয়র মনিরুজ্জামান রিংকু, কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জামির হোসেন ও ফায়ার সর্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ড. শেখ মামুন উর রশিদ প্রমুখ। সংগঠক আল-মাসুমের সার্বিক তত্বাবধানের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কোলাবাজার উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি জিল্লুর রহমান ও দোয়েল মুক্ত স্কাউটের সভাপতি আব্দুল আলিম, সমাজসেবক নুরুজ্জামানসহ প্রতিটি সংগঠনের একজন করে প্রতিনিধি।
মিলনমেলায় অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলি হলো, কালীগঞ্জের এক্স ক্যাডেট অর্গানাইজেশন (ইকো), হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠন, পাতিবিলা মানব কল্যাণ ট্রাষ্ট, ইয়াংস্টার ক্লাব, এক টাকায় জীবন ফাউন্ডেশন, কালীগঞ্জ স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন, রৌদ্দুর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ঈশ্বরবা মানব কল্যাণ ট্রাষ্ট, ব্লাড ব্যাংক অব কালীগঞ্জ, ইয়ূথ এগেইনস্ট হাঙ্গার, দোয়েল মুক্ত স্কাউটস গ্রুপ, প্রত্যাশা ২০২১ ফোরাম, আলী নদবী ফাউন্ডেশন, উন্নয়ন ফোরাম, কাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ব্লাড ব্যাংক অব ঝিনাইদহ, ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ঊষা), ডিপ্লোামা ইঞ্জিঃ অ্যান্ড স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পুলিশ কালীগঞ্জ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কালীগঞ্জ প্রেসক্লাব, সবুজদেশ নিউজ উল্লেখযোগ্য।
এসময় প্রতিটি সংগঠন তাদের কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ থেকে চিত্রার পাড়ে পৃথক পৃথক স্টল দেয়া হয়। তাদের প্রতিটি সংগঠনের কাজই স্বেচ্ছায় সেবামূলক। যেখানে আয় রোজগার নেই। কিন্তু গাঁটের টাকা খরচ করে মেধা, সময় ও শ্রম দিয়ে কিছু সময়ের জন্য হলেও মানুষের মুখে হাসি ফোটানো হয়। সাথে সাথে দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা কাজ করেন। এটাতে নিজেদের আর্থিক উন্নতি নেই ঠিকই। কাজ শেষে নিজেদের আত্মার পরিতৃপ্ততা আসে। আসে একজন মানুষ হিসেবে মানসিক প্রশান্তিও। এটা ধরে রাখতেই অন্যদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেবামুলক কর্মকান্ডের গতি বৃদ্ধি ও পরষ্পরের সহযোগিতা পাওয়ার জন্যই তারা এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছেন। পরে তারা মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে।