কালীগঞ্জে ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

29

প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ:
কখনো বিদ্যালয়ে যায়নি বা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে গেছে, এমন ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদেরকে শিক্ষার মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে উপজেলা পর্যায়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘আউট-অব-স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম’ নামে শিগগিরই একটি ব্যতিক্রমী স্কুল চালু হবে। এটি বাস্তবায়নে সহায়ক সংস্থার দায়িত্বে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ’সৃজনী বাংলাদেশ’।
ঝিনাইদহ জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহযোগিতায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালাতে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্ণা রানী সাহা। কর্মশালার শুরুতেই উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওই প্রকল্পটির সার্বিক বিষয় তুলে ধরে এক স্লাইড প্রদর্শন করা হয়।
‘সৃজনী বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে প্রকল্পটির অবহিতকরণ বিষয়ে কর্মশালাতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঝিনাইদহ জেলা সহকারী পরিচালক শেখ মো. সুরুজ্জামান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঝরে পড়া ও স্কুলে না যাওয়া শিশুদেরকে জরিপের মাধ্যমে তালিকা করে শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ উপজেলার শহর ও বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘর ভাড়া নিয়ে ৭০টি স্কুল চালু করা হবে। ওই বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই, খাতা, কলম, ব্যাগ ও স্কুল ড্রেসসহ মাসিক অনুদানও প্রদান করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ সময়ে প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা খাতুন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মধুসুধন পাল, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার দাস, কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জামির হোসেন, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা শেখ মামুনুর রশিদ, থানার এসআই সাগর শিকদার, প্রকল্প কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, সৃজনীর প্রোগ্রাম অফিসার আয়ুব হোসেন খানসহ উপজেলা পরিষদের অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।