কার্পাসডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী শ্লীলতাহানী : অভিযুক্ত শিক্ষকের অস্বীকার

291

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ৭৭নং হুদাপাড়া জাহাজপোতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বির”দ্ধে একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর এক ছাত্রীকে গাইড বই কিনে দেওয়ার নাম করে বাড়ীতে ডেকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। তবে বিষয়টি শত্র”তামূলক বলে দাবী করেছে অভিযুক্ত শিক্ষক। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মেয়ের বাবা ঐ শিক্ষকের বিচারের দাবীতে বিদ্যালয়ের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি সাইদ রহমান। জানা গেছে, হুদাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সামাদের কাছে টিউশনি পড়ে ৪র্থ শ্রেনীর ওই ছাত্রী।গত বৃহস্পতিবার গাইড বই কিনে দেওয়ার নাম করে  শিক্ষক আব্দুস সামাদ তাদেরকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ঢুকিয়ে জানালা দরজা বন্ধ করে দেয় এবং জোরপূর্বক শ্লীলতাহানী করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পরে ওই স্কুলছাত্রী রাতে ঘটনা মনে করে ভয়ে থরথর করে কাপতে থাকলে স্কুল ছাত্রীর পরিবারের লোকজন কি হয়েছে জানতে চাইলে ওই স্কুলছাত্রী সব ঘটনা তার মা ও দাদীকে খুলে বলে। তার মা ও দাদী আমাদের এ প্রতিবেদককে জানান লোকলজ্জার ভয়ে আমরা এতদিন চুপ করে ছিলাম। আমার মেয়ে ভয়ে স্কুলে যেতে চাচ্ছে না। স্কুলছাত্রীর দাদী জানান, শিক্ষক আব্দুস সামাদ নাকি আমার নাতির পোষাক খুলে কি সব করেছে, আমার নাতি ভয়ে কিছু বলছে না। তবে পোষাক খোলার কথা স্বীকার করছে। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ঐ ছাত্রীর পিতা আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে, আমরা স্কুল কমিটি বিষয়টি প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। প্রমান পাওয়া গেলে তার বির”দ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাংবাদিকদের জানান, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। আমাকে বিষয়টি এটিও সাহেব জানাননি। তবে আমি বিষয়টি পুরো জেনে নিচ্ছি এবং গুর”ত্ব সহকারে দেখছি। এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম জানান আমার বির”দ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে সমাজে হেয় করতে একটি মহল এই ষড়যন্ত্র করছে আমাকে ফাঁসাতে। আমি ভিলেজ পলিট্রিক্সের শিকার। অভিযুক্ত শিক্ষক আরও বলেন ভোট ও জমিজমা সংক্রান্ত পূর্বশত্র”তার জেরে ধরে আমাকে ফাঁসাচ্ছে। তারা আমাকে এ বিদ্যালয় থেকে সরাতে  চাই। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দফায় দফায় গ্রাম্য সালিশ বসেছে কিন্তু বারবার সালিশ ভেস্তে যাচ্ছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বির”দ্ধে যদি অভিযোগ প্রমানিত হয় তাহলে কঠোর শাস্তি দাবি করেছে সচেতন মহল।