করোনা শনাক্তের তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি : চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও সিভিল সার্জনের প্রতিবাদ

40

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গতকাল ২৪ জুন প্রকাশিত শতভাগ করোনা শনাক্তের তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ০৫.৪৪.১৮০০.১০৪.৮৮.০০৩.২১.৮৫৯ স্মারকের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কথা জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল চুয়াডাঙ্গা জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শতভাগ শনাক্ত হয়েছে মর্মে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদসমূহ যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে তা অসম্পূর্ণ। সিভিল সার্জন, চুয়াডাঙ্গা কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা জেলায় গত ২৩ জুন যথাক্রমে সদর উপজেলায় ৫০টি স্যাম্পল র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করে ২০ জন, আলমডাঙ্গায় ১৫টির মধ্যে সাতজন, দামুড়হুদায় শূন্য এবং জীবননগর উপজেলার ৪৫টি মধ্যে ১৪ জনের করোনা পজিটিভ হয়। সে হিসেবে ১১০টি নমুনার মধ্যে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও কুষ্টিয়া আরটি পিসিআর ল্যাবে ৮২ জনের নমুনা পরীক্ষায় আরও ৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। সে অনুযায়ী গত ২৩ জুন সর্বমোট ১৯২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪৬.৩৪ শতাংশ। এমতাবস্থায়, তথ্য সরবরাহকারী এবং তথ্য গ্রহণকারী উভয় পক্ষকে অধিকতর সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার জন্য অনুরোধ জানান জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
গত ২৩ জুন রাতে করোনা শনাক্তের হার শতভাগ বলে যে তথ্য দিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয় সেটি সঠিক নয় জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান।
তিনি জানান, ২৩ জুন র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে ১১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও কুষ্টিয়া আরটি–পিসিআর ল্যাবে ৮২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিন জেলায় মোট ১৯২টি স্যাম্পল পরীক্ষায় ৮৯ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছিল। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪৬.৩৪ শতাংশ। গত বুধবার (২৩ জুন) রাতে ৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে সবার শরীরেই করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দেয় সিভিল সার্জন কার্যালয়। এনিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)