চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ৪ জুন ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

করোনার বুস্টার ডোজ সপ্তাহ শুরু আজ

সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুন ৪, ২০২২ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ প্রতিবেদন: স্বল্পতম সময়ে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে সরকার। দেশের আনাচে-কানাচে পৌঁছে গেছে করোনাভাইরাসের একমাত্র প্রতিষেধক টিকা। আর এতে করে মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে শক্ত ইমিউনিটি। ইতঃমধ্যে এর প্রথম ডোজের টিকাদান পূরণ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার ৭৬ শতাংশ। আর দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছেন লক্ষ্যমাত্রার ৬৯ শতাংশ মানুষ। প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের প্রায় সিংহভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ায় এবার বুস্টার ডোজের দিকে জোর দিচ্ছে সরকার। আর তাই আজ থেকে শুরু হচ্ছে বুস্টার ডোজ সপ্তাহ।

পুরো সপ্তাহজুড়ে অন্তত:
দেড় কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যে কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করবে স্বাস্থ্য বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ধাপ পার হলেই লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ টিকাগ্রহণের দেশের তালিকায় উঠে যাবে বাংলাদেশ। এতে করে টিকাদানে এবং করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের সাফল্যের জয়গান আজ বিশ্বজুড়ে। খোদ জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন এটিকে সিনেমাটিক সাফল্য বলে অভিহিত করেছে। আর বিশ্বব্যাংক চাইছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লিখিত অভিজ্ঞতা। যা বাংলাদেশের জন্য বিশাল প্রাপ্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত প্রায় দুই মাস যাবত করোনায় মৃত্যু এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রিত। মাত্র দুই বছর আগে এমন জুন মাসে যখন মহামারী এই ভাইরাসটিতে জনমানবশূন্য ছিল দেশের রাজপথ আজ তা কলরবে মুখরিত। জনজীবন পুরোপুরি স্বাভাবিক। উঠে গেছে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা। স্বাস্থ্যবিধিতে নেই কড়াকড়ি। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, বড় পরিসরে প্রথম ডোজের কর্মসূচী যেভাবে শেষ করা হয়েছিল দ্বিতীয় ডোজের টিকাদানের কর্মসূচীও কিছুদিনের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা হচ্ছে। যাতে করে বাকি থাকা সবাই দ্রুততম সময়ে টিকা নিতে পারেন এই ব্যবস্থা করা হবে। এরপর জোর দেয়া হবে বুস্টার ডোজের কার্যক্রমে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, সরকার এখন পর্যন্ত মোট জনগোষ্ঠীর ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৬৬ হাজার ৭৯৫ জনকে অর্থাৎ ৭৬ শতাংশকে প্রথম ডোজের টিকা দিয়েছে। আর দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ৭৬ লাখ ১ হাজার ১৩৩ জন যা মোট জনগোষ্ঠীর ৬৯ শতাংশ। তবে পিছিয়ে রয়েছে বুস্টার ডোজের টিকা প্রদানে। এখন পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি ৫১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪৯ জনকে বুস্টার ডোজের টিকা দেয়া হয়েছে। যা মোট জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯ শতাংশ। প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের সঙ্গে বুস্টার ডোজের পার্থক্য কমাতেই আজ থেকে বুস্টার ডোজ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর এবং সরকারের টিকা কার্যক্রমের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডাঃ শামসুল হক এ কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, বৃহৎ এই কর্মযজ্ঞে সারাদেশে মোট ১৬ হাজার ১৮১টি কেন্দ্রের (৬২৩টি স্থায়ী ও ১৫ হাজার ৫৫৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র) মাধ্যমে বুস্টার ডোজের টিকা দেয়া হবে। তবে এর মধ্যে স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে ৭ দিন ও অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে ২ দিন চলবে টিকাদান কার্যক্রম। তিনি বলেন, প্রতিটি টিমে ২ জন করে টিকাদানকারী ও ৩ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন। এই সপ্তাহ চলাকালে একযোগে ৪৫ হাজার ৫০৫ জন টিকাদান কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন। অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে টিকা প্রদানের তারিখ স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার ও মাইকিং করে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আমাদের এই কর্মসূচীতে অন্তত: ১ কোটি ৪১ লাখ ৭৭ হাজার মানুষকে টিকা প্রদান করা হবে। যাদের দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার ৪ মাস অতিবাহিত হয়েছে তাদের হয়েছে এমন ১৮ বছরের উর্ধে যে কেউ নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে টিকাকার্ড দেখিয়ে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।
অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে এ্যাস্ট্রাজেনেকা ২১ লাখ ১৯ হাজার ৫৩০ ডোজ, মডার্না ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ১০০ ডোজ, ফাইজার ১ কোটি ৪০ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪২ ডোজ এবং সিনোফার্মার টিকা ১৯ লাখ ১১ হাজার ৭৪৪ এবং ৮১ লাখ ৮ হাজার ৫৩০ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে। তবে ওপরে বর্ণিত হিসাবের প্রেক্ষিতে প্রথম ডোজের টিকা পাওয়াদের মধ্যে এখনও দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাননি প্রায় সোয়া কোটি মানুষ। এই মানুষকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে শীঘ্রই বড় আকারের কর্মসূচী করার পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আর এর মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান কর্মসূচী শেষ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর এবং টিকাদান কর্মসূচীর সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. শামসুল হক বলেন, আমরা প্রায় দেড় বছর যাবত এই কাজে আমাদের কর্মীদের নিয়োজিত রেখেছি। প্রয়োজনে আরও রাখব। কিন্তু অন্য কাজও আছে। যে সোয়া কোটি মানুষ দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে আসেননি তারা নিজে থেকে আসবে বলে আমার মনেও হয় না। তাই এদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে প্রথম ডোজের মতোই বড় আকারে একটা কর্মসূচী করে দ্বিতীয় ডোজের আপাত সমাপনী ঘোষণা করে দেয়া যেতে পারে। আমরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি নির্দেশনা দিলেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত আপনাদের জানানো হবে। তবে বাংলাদেশ করোনা টিকাদানের ক্ষেত্রে এখন বিশ্বের মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে করোনা নিয়ন্ত্রণের সাফল্যের গল্প শুনতে চায় বাংলাদেশের কাছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ইউনিসেফ করোনা টিকাদানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাফল্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ‘কোভিড-১৯ টিকার সাফল্যের গল্প হিসেবে তালিকাভুক্ত করে সংস্থাটি।

সংস্থাটি বলেছে, বাংলাদেশের টিকা দেওয়ার হার বেড়েছে এত দ্রুত যে তা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। প্রতিবেদনটিতে ইউনিসেফ বলে, ২০২১ সালের জুনে যখন ঢাকায় কোভ্যাক্স আসে, তখন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে চার শতাংশেরও কম বাসিন্দাকে টিকা দেয়া হয়েছিল। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সংখ্যাটা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে এবং ইউনিসেফের মতে, ওই বছরের এপ্রিলের শুরুতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৬৭ শতাংশ দুই ডোজের আওতায় এসেছে। অন্যদিকে নিক্কেই-এর কোভিড-১৯ পুনরুদ্ধার সূচকেও বিশ্বের ১২১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ আট ধাপ এগিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠেছে। ওই তালিকার দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে নেপালের অবস্থান ষষ্ঠ, পাকিস্তান ২৩তম, শ্রীলঙ্কা ৩১তম ও ভারত ছিল ৭০তম।

এই সাফল্য এত সহজে আসেনি উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সংক্রমণ ও মৃত্যু অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। আর এটি সম্ভব হয়েছে সরকারের সঠিক পরিকল্পনা এবং টিকাদান কর্মসূচীর সাফল্যের কারণে। আর তাই বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আশাতীত ভাবে উজ্জ্বল হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ সীমিত সম্পদেও করোনায় এত ভাল করেছে দেখে বিশ্ব ব্যাংক পর্যন্ত আমাদের কাছ থেকে একটি লিখিত চেয়েছে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা সবাই জানতে চায়। এখানে শিক্ষার বিষয় আছে। আমাদের অভিজ্ঞতা লিখিতভাবে নিয়ে তারা বিশ্বের অন্যান্য দেশে সেটি ছড়িয়ে দিতে চায়।

সম্প্রতি বিশ্ব ব্যংকের সফরকে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের কাছ থেকে সব জানার চেষ্টা করেছে কিভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ হলো। যেখানে সবচেয়ে ধনী দেশ যুক্তরাষ্ট্র তেমন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি এখনও। তারা বললেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা করলে হয়তো কোন দিক দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে না। তবে করোনা নিয়ন্ত্রণে, টিকদানেও বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে এগিয়ে। করোনায় ভাল আছি বলেই বাংলাদেশের মানুষরা বিদেশে যেতে পারছে কোন বাধা ছাড়াই। কোথাও করোনার সার্টিফিকেট দেখাতে হয় না। মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ২৯ কোটি টিকা পেয়েছি। এর মধ্যে ২৬ কোটি টিকা দেয়া হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা আমাদের প্রায় পূরণ। এবার বুস্টার ডোজে জোর দেয়া হবে। শীঘ্রই বুস্টার ডোজের জন্য বড় পরিসরে কর্মসূচীর পরিকল্পনা করছি আমরা। আর এর জন্য পর্যাপ্ত টিকাও আমাদের হাতে মজুদ আছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের অক্সফোর্ড এ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয় করোনার টিকাদান কর্মসূচী। কিন্তু মাত্র ১ মাসের ব্যবধানে মার্চ মাসে দেশটিতে করোনার সংক্রমণ বেড়ে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ায় টিকা রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। এর পরপরই এই কোম্পানির ১ম ডোজের টিকা নেয়া মানুষজনে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকাপ্রাপ্তি। এমনই ঋণাত্মক পরিস্থিতিতে টিকা পেতে সরকারের পক্ষ থেকে টিকা পেতে চালানো হয় নানামুখী তৎপরতা। এরই ফলাফল হিসেবে মাত্র দুই বছরের মাথায় করোনার টিকাদানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে বাংলাদেশ।
আর মাত্র সোয়া ১ কোটি মানুষকে টিকা দেয়া হলেই সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে উল্লেখ করে ইমেরিটাস অধ্যাপক ডাঃ এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের কাছেও বিষয়টি স্বপ্নের মতো। স্বপ্নের পদ্মা সেতু যেমন আজ বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাস্তব। তেমনি কোন উৎস থেকে টিকা না পাওয়ার শঙ্কা থেকে মাত্র দেড় বছরের মাথায় আমরা টিকাদানে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটি একমাত্র সম্ভব হয়েছে সরকারের সদিচ্ছা, সঠিক পরিকল্পনা এবং বহুমুখি কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে। এর আগেও আমরা পোলিও টিকাদানেও বাংলাদেশের সাফল্য দেখেছি। একসময় পোলিওমুক্ত দেশ ঘোষণা করা হয়েছে। আমি মনে করি সেই দিন বেশি দূরে নয় যেদিন বাংলাদেশকে করোনামুক্ত ঘোষণা করা হবে।

একই কথা বলেন কোভিড মোকাবেলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডাঃ ইকবাল আর্সনাল। তিনি বলেন, সত্যি এ সিনেমার গল্পের মতো। ভারত যখন টিকা রফতানি বন্ধ করে দিল তখন আমরাই আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছি এত অল্প সময়ের মধ্যে টিকা পাওয়া মুশকিল। কিন্তু সরকার এক্ষেত্রে সফল হয়েছে। বিচক্ষণ আর বুদ্ধিমত্তা এবং জনগণের টিকাগ্রহণের বিষয়ে উৎসাহ সব মিলিয়ে আমরা এতে সাফল্য পেয়েছি। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আমরা আশা করছি পোলিওমুক্ত যেভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল সেভাবে ঘোষণা দেয়া সম্ভব না হলেও নিশ্চয়ই খুব শীঘ্রই করোনামুক্ত হবে দেশ।
প্রসঙ্গত, প্রথমে সরকারের লক্ষ্য ছিল দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনা হবে। সেই হিসাবে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে টিকাদানের নতুন লক্ষ্যমাত্রার কথা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় তিনি জানান, করোনার টিকা দেয়া হবে মোট জনগোষ্ঠীর ৭০ শতাংশ মানুষকে। তখন তিনি এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের টার্গেট ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া। এর মানে সাড়ে ১২ কোটি জনগণ। সেটাই মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে কোটি খানেক লোক দেশের বাইরে আছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।