ওঝার কাছে নয়, রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসুন

201

চুয়াডাঙ্গায় সর্প দংশন পরবর্তী ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সেমিনারে সিভিল সার্জন ডা. মারুফ হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় সর্প দংশন প্রতিরোধ ও সর্প দংশন পরবর্তী ব্যবস্থাপনাবিষয়ক শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান।
সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন বলেন, ‘সাপ দেখলেই আমরা ভীত হয়ে হত্যা করার চেষ্টা করি, এটি ঠিক নয়। এ জাতীয় মনোভাব আমাদের সবার পরিত্যাগ করা উচিত। অন্যান্য প্রাণীর মতো সাপও প্রকৃতির বন্ধু এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সাপের কামড়ের বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। দেশের হাসপাতালগুলোতে সাপের বিষক্ষয় রোধের (প্রতিষেধক) অ্যান্টিভেনম ইঞ্জেকশন থাকে। তবে দূরের রোগীরা দ্রুত এসব হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় অনেককেই বাঁচানো সম্ভব হয় না। তাই কাপে কাটা রোগীকে ওঝা বা কবিরাজের কাছে না নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব জেলা সদরের হাসপাতাল অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।’
সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম। সেমিনারে সর্প দংশনবিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শামীম কবির।
অনুষ্ঠানে এ সময় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালের প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ও চিকিৎসা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্যশিক্ষা কর্মকর্তা মো. রবজেল হক। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের হেলথ এডুকেটর মো. দেলোয়ার হোসেন।