এসপি জাহিদের হস্তক্ষেপে ভাঙা সংসার জোড়া লাগল

81

সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের হস্তক্ষেপে একটি ভাঙা সংসার জোড়া লেগেছে। ছয় বছর আগে চুয়াডাঙ্গা সুমিরদিয়ার জুম্মান শেখের মেয়ে মোছা. মাবিয়া খাতুন (২৪) এর সাথে গাইদঘাটের আরশেদ ভান্ডারীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (২৭) এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে তার স্বামী ও শাশুড়ী তাকে নির্যাতন করতে থাকে। সংসারে চলমান বিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, মো. ফারুক হোসেন তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে পিতার বাড়ীতে তাড়িয়ে দেয়। তাদের হুসাইন (০২) নামের ফুটফুটে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
এমতাবস্থায় মোছা. মাবিয়া খাতুন তার পুত্র সন্তান ও নিজের অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার উক্ত অভিযোগটি “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এ কর্মরত নারী এএসআই (নিরস্ত্র)/মিতা রানী বিশ্বাস’কে দিলে তিনি উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মো. জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মো. ফারুক হোসেন তার তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী মোছা. মাবিয়া খাতুনকে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পুনরায় স্বামীর মর্যাদা প্রদানসহ সংসার করতে সম্মত হয়। এসময় পুলিশ সুপার তাদেরকে একটি কম্বল প্রদান করেন এবং বাকী জীবন একই কম্বলের নিচে অতিবাহিত করার অঙ্গীকারাবদ্ধ করেন। ফলে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে মো. হুসাইন ফিরে পেল তার বাবার আদর স্নেহ। অন্য দিকে মোছা. মাবিয়া খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।