এসপির হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল হোসেন আলীর সংসার

16

সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জাহিদের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল হোসেন আলীর সংসার। গতকাল বুধবার চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’-এর মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হয়।
জানা যায়, দর্শনার দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের মৃত সোনাই ফারাজীর পুত্র হোসেন আলীর সাথে ১৫-১৬ বছর পূর্বে জীবননগর থানার নিধিকুণ্ডু গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা মোছা. নাসরিন নাহার লিপির ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের ১২ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। সংসার জীবনের বিভিন্ন চড়াই উৎরাই-এর মাঝে বর্তমানে নাসরিন নাহার তাঁর স্বামী হোসেন আলীর সাথে সংসার করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাঁকে তালাক দিতে বলে। হোসেন আলী তাঁদের সন্তানের কথা বিবেচনা করে স্ত্রীকে তালাক না দিয়ে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব না হওয়ায় তিনি পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার অভিযোগটি তাঁর কার্যালয়ে অবস্থিত ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’-এর মাধ্যমে গতকাল উভয়পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় হোসেন আলী এবং নাসরিন নাহার লিপি দম্পত্তি ভুল বোঝাবুঝি ভুলে সংসার করতে সম্মত হন। ফলে উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের কল্যাণে হোসেন ও লিপির ভগ্নদশা সংসারে ফিরে এলো সুখের ছোঁয়া।