চুয়াডাঙ্গা মঙ্গলবার , ২৪ এপ্রিল ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এজাহারভূক্ত ৬ আসামীর আত্মসমর্পণ : জেলহাজতে প্রেরণ

সমীকরণ প্রতিবেদন
এপ্রিল ২৪, ২০১৮ ৬:১৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ায় যুবদল নেতা লালন হত্যায় মায়ের দায়ের করা মামলায়
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হাতে নিহত যুবদল নেতা লালন হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৬জন আসামী আত্মসমর্পণ করেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা আমলী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে তারা। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ মো. আঃ হালিম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামীরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ার আবুল হামিদের ছেলে আবুল হাশেম, আবুল হাশেমের ছেলে টিপু, মফিজ উদ্দীনের ছেলে আব্দুর রব, আব্দুর রবের ছেলে আলামিন, আবুল হাশেমের স্ত্রী আয়লা বুড়ি ও আব্দুর রবের স্ত্রী জোৎনা। আসামীরা সকলেই এ হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত।
উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল রাতে চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ায় বাড়ির জমির সীমানায় থাকা নারিকেল গাছ কাটা-না কাটার তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ওই এলাকার আনারুল ইসলামের ছেলে যুবদল নেতা লালন হোসেনকে হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডের মাত্র দুই ঘন্টার মাথায় প্রধান আসামী মিন্টু (২৫)সহ তার সহযোগী সাঈদ (২২) ও নাজমাকে (৪০) আটক করে পুলিশ। এ ঘটনার রাতেই নিহতের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, নিহত লালনের জমিতে থাকা একটি নারিকেল গাছ কাটা নিয়ে একই এলাকার হাশেম আলীর ছেলে মিন্টু, পিন্টু ও টিপুদের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। লালনের জমিতে থাকা নারিকেল গাছটি মিন্টুদের টিনসেড ঘরের উপরে থাকায় নানা ধরণের সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। গাছটি কেটে নিতে অনেক দিন ধরেই তাগিদ দিয়ে আসছিল মিন্টুরা। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পূর্বে কয়েক দফা গোলযোগও হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ঘটনার দিনগত রাতে পৌর কাউন্সিলর ও বিশিষ্টজনদের আলোচনায় বসার কথা ছিল। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আগেই রাত পোনে ৮টার দিকে লালনকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আলামিন নামের একজন। তার কথা মত লালন বাড়ির সামনে বেরুতেই পূর্ব থেকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দাড়িয়ে থাকা মিন্টু, পিন্টু, টিপুসহ অন্তত ১০-১২ জন তার উপর হামলা চালায়। এসময় প্রধান অভিযুক্ত মিন্টুর হাতে থাকা ধারালো বটির পাট (বটনে) দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। হামলাকারীদের হাত থেকে লালনকে বাঁচাতে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে তাদের কেও মারধর করা হয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় লালনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।