চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ১৯ আগস্ট ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এইচএসসিতে পাস ৭৪.৭০ পূর্ণ জিপিএ ৫৮ হাজার সারাদেশে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস

সমীকরণ প্রতিবেদন
আগস্ট ১৯, ২০১৬ ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সমীকরণ ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২৭৬ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৯ দশমিক ৬০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪২ হাজার ৮৯৪ জন। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার বেড়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৫ হাজার ৩৮২ জন। ফল প্রকাশের পর সারাদেশে কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীরা বাঁধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারা নেচেগেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় বিতরণ করা হয় মিষ্টি। কেউ কেউ প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এসময় তার সঙ্গে ছিলেন। ফলাফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা সেরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাসের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আরেকটু বেশি আনন্দিত যে আমাদের মেয়ে শিক্ষার্থী বেড়ে গেছে এবং তাদের পাসের হার বাড়ছে। তবে এখানে আমি মনে করি, ছেলেমেয়ে যেই হোক, সন্তান সন্তানই।’ যারা এবার কৃতকার্য হতে পারেনি, তাদের ‘আরেকটু মনোযোগী’ হতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। অভিভাবক ও শিক্ষকদের বলেন ‘আরেকটু যতœবান’ হতে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তেমনি তার সরকারও শিক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে, কেননা দরিদ্রমুক্ত দেশ গঠনের পরিকল্পনায় মূল হাতিয়ারই শিক্ষা। এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা, পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়ায় অনুষ্ঠানে সন্তোষ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ। বেলা ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এবারের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি। তারপর বেলা ২টা থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট িি(.িবফঁপধঃরড়হনড়ধৎফৎবংঁষঃং.মড়া.নফ), নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে ফল জানতে পেরেছেন। চলতি বছর ৩ এপ্রিল থেকে ১২ জুন এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা চলে। এরপর ১১ থেকে ২০ জুন পর্যন্ত চলে ব্যবহারিক পরীক্ষা। আটটি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৮ হাজার ৩৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ জন। এর মধ্যে আট সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭২ দশমিক ৪৭ শতাংশ, পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে ৪৮ হাজার ৯৫০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পাস করেছে ৮৮ দশমিক ১৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী, তাদের মধ্যে ২ হাজার ৪১৪ জন পেয়েছে জিপিএ ৫। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার ৮৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছে; ৬ হাজার ৫৮৭ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হারের দিক দিয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে আছে। ছাত্রদের মধ্যে যেখানে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ ছাত্র; সেখানে ৭৫ দশমিক ৬০ শতাংশ ছাত্রী এবার পাস করেছে। কেউ পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ২৫টি। গত বছর ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল।
আমাদের শহর প্রতিনিধি জানিয়েছেন,   চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ১ হাজার ২শত ৩২ জন। যার মধ্যে বিজ্ঞাণ বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করে মোট ৩৬২ জন; পাশ করেছে ৩০৫ জন;অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪ জন; জিপিএ৫ পেয়ে পাস করেছে ৫৫ জন; অনুপস্থিত ছিল ১৩ জন। বাণিজ্য বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৪০৮ জন; পাশ করেছে ৩৫৩ জন; অকৃতকার্য হয়েছে ৫৫ জন; জিপিএ৫ পেয়ে পাস করেছে ২ জন; অনুপস্থিত ছিল ১০ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৪৬২ জন; পাশ করেছে ৪৩১ জন; অকৃতকার্য হয়েছে ৩১ জন; জিপিএ৫ পেয়ে পাস করেছে ২০ জন; অনুপস্থিত ছিল ৮ জন। চুয়াডাঙ্গা সরকারী মহিলা কলেজ থেকে এবার এইচ এস সি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে সর্বমোট ৭ শত ৭ জন। যার  মধ্যে বিজ্ঞাণ বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করে মোট ৫১ জন; পাশ করেছে ৪২ জন;অকৃতকার্য হয়েছে ৯ জন। বাণিজ্য বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ১০৫ জন; পাশ করেছে ৬৮ জন; অকৃতকার্য হয়েছে ৩৭ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৫৫১ জন; পাশ করেছে ৪৪১ জন; অকৃতকার্য হয়েছে ১১০ জন। চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার এইচ এস সি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে সর্বমোট ৫ শত ৪০ জন। যার  মধ্যে বিজ্ঞাণ বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করে মোট ৪৭ জন; পাশ করেছে ৪৩ জন;অকৃতকার্য হয়েছে ৪ জন। বাণিজ্য বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৮৬ জন; পাশ করেছে ৬৪ জন; অকৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৪০৭ জন; পাশ করেছে ৩৩৬ জন; অকৃতকার্য হয়েছে ৭১ জন।
দর্শনা অফিস জানিয়েছে, দামুড়হুদা উপজেলার তিনটি কলেজে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বেশ ভাল হয়েছে। দর্শনা সরকারী কলেজে এ বছর গড় এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৭৫%। দর্শনা সরকারী কলেজ থেকে এ বছর বিভিন্ন বিভাগে ১হাজার ১২৪ জন ছাত্র/ছাত্রী এইচ এস সি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে ৮৩৯জন পাশ করেছে। এদের মধ্যে ৭জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। দামুড়হুদা আব্দুল ওদুদ ডিগ্রী কলেজ থেকে ৫৭৬ জন এইচএসসি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে ৪৭৯ জন পাশ করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। এবং বিএম শাখায় ৬৮জন এইচ এস সি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে ৬১জন ছাত্র/ছাত্রী পাশ করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাশের হার ৯০% হয়েছে।
এদিকে কার্পাসডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ থেকে ৪৪১জন এইচএসসি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে ৩১১জন পাশ করেছে। পাশের হার ধরা হয়েছে ৭১%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। অন্যান্য বারের তুলনায় যশোর বোর্ডে এ বছর ৮৩% ছাত্র/ছাত্রী খুব ভাল ফলাফল করেছে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে এ বছর দামুড়হুদা উপজেলায় এইচ এস সি ফলাফল বেশ ভাল হয়েছে বলে দর্শনা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক ও কার্পাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম জানান।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, মেহেরপুরে এইস.এস.সি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। পাশের দিক দিয়ে সেরা হয়েছে এ.আরর.বি কলেজ আর জি.পি.এ’র দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সারা দেশের ন্যায় মেহেরপুরের বিভিন্ন কলেজ থেকে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলের মধ্যে রয়েছে ঃ মেহেরপুর সরকারি কলেজে পাশের হার ৭০.৬৩%, জি.পি.এ-৫ পেয়েছে-৫ জন শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪ ও মানবিক বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের পাশের হার ৮৪.৭৫%। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে ১৩ জন ছাত্রী। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭, মানবিক বিভাগ থেকে ৪ ও কমার্স থেকে ২ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পয়েছে। মেহেরপুর পৌর কলেজের পাশের হার ৭৬.৫৮%। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে ৪ জন শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন ও মানবিক বিভাগে এক জন শিক্ষার্থী জি.পি.এ-৫ পেয়েছে। এ.আর.বি কলেজের পাশের হার ৯২.৫৯%। জি.পি.এ-৫ পায়নি কোন শিক্ষার্থী। যাদুখালি স্কুল এন্ড কলেজের পাশের হার ৮৩.৬৬%। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে একজন শিক্ষার্থী। মুজিবনগর সরকারি ডিগ্রী কলেজের পাশের হার ৯০.৮৯%। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে একজন শিক্ষার্থী। মহাজনপুর কলেজের পাশের হার ৯২.১০%। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে একজন শিক্ষার্থী। গাংনী সরকারি ডিগ্রী কলেজে পাশের হার ৬৯.৬৫%। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে ৫ জন শিক্ষার্থী। গাংনী মহিলা কলেজের পাশের হার ৮২.৯০%। কোন শিক্ষার্থী জি.পি.এ-৫ পায়নি। সন্ধানি স্কুল এন্ড কলেজে পাশের হার ৭৫.৭৯। জি.পি.এ-৫ পেয়েছে ১৩ জন শিক্ষার্থী। তেরাইল জোড়পুকুরিয়া কলেজে পাশের হার ৯১.৯১%। কোন শিক্ষার্থী জি.পি.এ-৫ পায়নি। কাজিপুর ডিগ্রী কলেজে পাশের হার ৮৯.০৪। জি.পি.এ -৫ নেই। বি.এন ডিগ্রী কলেজে পাশের হার ৭৪.১১%। জি.পি.এ নেই। করমদি ডিগ্রী কলেজে পাশের হার ৯৩.৮২%। জি.পি.এ-৫ নেই।
গাংনী অফিস জানিয়েছে, সারা দেশের ন্যায় মেহেপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্যদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফলাফল প্রকাশ হয়। গাংনী সরকারী ডিগ্রী কলেজে ৩৪৬ জনে ২৭০ জন পাশ ও এ-প্লাস পেয়েছে ৫জন, পাশের হার ৭৮ দশমিক ০৩। মহিলা ডিগ্রী কলেজে ৩৯২ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৩২৯ জন। পাশের হার ৮৩ দশমিক ৯২ ভাগ। সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২১৫ জনে ১৭১ জন পাশ করেছে, এ-প্লাস ১৩ জন। পাশের হার ৭৯ দশমিক ৫৩ ভাগ। জেলার মধ্যে করমদি কলেজ সেরা হয়েছে। করমদি কলেজে ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫২ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৯৩ দশমিক ৮২ ভাগ। এ উপজেলায় দ্বিতীয় হয়েছে তেরাইল জোড়পুকুরিয়া কলেজ। তেরাইল-জোড়পুকুরিয়া কলেজে ১৩৬ জনে পাশ করেছে ১২৫ জন। পাশের হার ৯১ দশমিক ৯১ ভাগ। ভাটপাড়া (বিএন) কলেজে ৮০ জনে ৬৩ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৭৮ দশমিক ৭৫ ভাগ। মড়কা জাগরণ কলেজে ২ জনের মধ্যে পাশ করেছে ১ জন।
এদিকে গাংনী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৭৩ জনে ৯৩ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৫৩ দশমিক ৭৫ ভাগ।
ঝিনাইদহ অফিস জানিয়েছে, যশোর বোর্ডের অধীনে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে এবারও এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল সাদিকুল বারী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষায় ক্যাডেট কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫১ এবং মানবিক বিভাগ থেকে একজন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা হলো ক্যাডেট কাবির, মেজবাহ, নাঈমুর, রায়হান, ইশতিয়াক, নাভিদ, ফারহান, হাসিব, পলাশ, মনোয়ার, অর্নব, মাহির, হাসান, আসিফ, বাঁধন, পারভেজ, আলভী, জুবায়ের, মহিউদ্দিন, তানভীর,  সাদিক, সিফাত, মোস্তফা, রিফাত, সাদ, কাইয়ুম, ইব্রাহিম, তুর্য, নাজমুল, শাহরিয়ার, নাঈম, মুহতাসিম, নয়ন, রাইসুল, মাহদী, ফরহাদ, জুয়েল, সামী, রাফি, আরাফাত, ইসলাম,  নাফিজ, এনামুল, তাছলিম, সাগর, মারুফ, মুস্তাফিজ, আহমেদ, সাকিব, হানিফ, আরিফ ও মানবিক বিভাগের নাহিদ।  অধ্যক্ষ কর্নেল সাদিকুল বারী জানান, কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের প্রচেষ্টায় এ ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।
যশোর বোর্ডের দারুণ চমক: এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে যশোর বোর্ড। এই বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এইচএসসিতে পাসের হারে আট শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে এবার সবার চেয়ে এগিয়ে যশোর বোর্ড। গতবার এই বোর্ডের ফল সবচেয়ে খারাপ ছিল। মোট পাসের ওপর এর প্রভাব পড়েছিল। এবার সবচেয়ে কম পাসের হার কুমিল্লা বোর্ডে। এই বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ৭৫ দশমিক ৪০ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৭৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৭০ দশমিক ৬৪ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৭০ দশমিক ১৩ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। গত ৩ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় জুনে। এই পরীক্ষার ফল গতকাল প্রকাশ করা হয়েছে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।