ইসলামে বলাৎকার নিষিদ্ধ

68

ধর্ম প্রতিবেদন:
সমগ্র পৃথিবীতে অগণিত প্রাণী রয়েছে। যাদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানব জাতির সেবাশুশ্রƒষার জন্য। তাদের কল্যাণ সাধনের জন্য। কারণ মানুষ অতি সম্মানী প্রাণী। তামাম সৃষ্টিজগতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। তাদের রয়েছে সুশৃঙ্খল ও পরিপাটি জীবনব্যবস্থা। কুকুর, বিড়াল এবং অন্যান্য প্রাণীর মতো লাগামহীনভাবে আহার, যৌন চাহিদা নিবারণ তাদের জন্য সমীচীন নয়। এ জন্য মানুষকে মেনে চলতে হয় বিভিন্ন নিয়ম-কানুন। বৈধ সম্পর্কের জালে আবদ্ধ হয়ে তৈরি করতে হয় স্থায়ী জীবনব্যবস্থা। মানুষ থেকে শুরু করে প্রাণীরাও যৌন চাহিদার খাতিরে বিপরীত লিঙ্গের দ্বারস্থ হয়। পূরণ করে যৌন কামনা। মানুষ দূরের কথা কুকুর বিড়াল পর্যন্ত সমলিঙ্গের সঙ্গে যৌনকর্মে অনীহা প্রকাশ করে। কেননা বলাৎকার বা সমকামিতা মানবসমাজ ও চতুষ্পদ জন্তুর কাছেও একটি ঘৃণিত কাজ। এর ক্ষতি ও অপকার সর্বজনস্বীকৃত। এ প্রসঙ্গে কোরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘আমি লুতকে পাঠিয়েছি। যখন সে নিজ সম্প্রদায়কে বলল তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ যা তোমাদের আগে বিশ্বের কেউ করেনি? তোমরা তো কামনাবশত পুরুষের কাছে গমন কর নারীদের ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ।’ সুরা আরাফ। অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ বলেন, ‘সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরুষের সঙ্গে কুকর্ম কর? এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্য সঙ্গিনী হিসেবে যাদের সৃষ্টি করেছেন তাদের বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।’ সুরা শুয়ারা।