ইসলামে খাদ্য দানের গুরুত্ব

90

ধর্ম প্রতিবেদন:
কোরআন ও হাদিসে খাদ্য-দান করার জন্য বিভিন্ন প্রকার নির্দেশ ও উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। অবশ্যই করণীয় কর্তব্য পালন না করতে পারলে, যথা- রোজার বিনিময়ে দরিদ্রকে খাদ্য দানের বিধান রয়েছে। পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে খাদ্য দান ও বস্ত্রদান করতে হয়। ইসলামে এ সম্বন্ধে অসংখ্য নির্দেশ আছে। কোরআন বলে, তোমাকে কে বুঝাবে যে, কষ্টকর কাজ কি? তা অভুক্তকে ক্ষুধার দিনে খাদ্য দান। হযরত মুহাম্মাদ (স) বলেছেন, বিচারের দিন আল্লাহ বলবেন, আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম। তুমি আমাকে খাদ্য দান করোনি। আমার অমুক বান্দাহ্ (দাস) খাদ্যের জন্য তোমার কাছে এসেছিলো। যদি তাকে খাদ্য দিতে তা আমাকেই খাওয়ানো হতো। যারা ক্ষুধার্তকে খাদ্য দেয়, তৃষ্ণার্তকে পানি দেয় এবং বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেয় আল্লাহ্ তাদের জন্য পুরস্কার রেখেছেন। ১. হাদিস: হজরত আবু হোরায়রা (রা) হতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ্ (স) বলেছেন, লোকে বলে, আমার মাল, আমার মাল। তার মালের মধ্যে প্রকৃত মাল তিনটি যা সে ভক্ষণ করেছে এবং নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে। যা সে পরিধান করেছে এবং জীর্ণ হয়ে গিয়েছে। যা সে দান করেছে এবং সঞ্চয় করেছে। তা ব্যতীত অন্যান্য সকলই ধ্বংস হবে এবং সে তা লোকের জন্য ত্যাগ করে যাবে। (মুসলিম) ২. হাদিস: হজরত ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, যে মুসলমান অন্য মুসলমানকে একখানি বস্ত্র পরিধানের জন্য দান করে, যে পর্যন্ত তার একটি টুকরাও তার শরীরে থাকে, সে পর্যন্ত সে আল্লাহর হিফাজতে থাকে। (তিরমিজী)