আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবে আটক তিয়রবিলার রুস্তমের স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ আমার স্বামীর নামে কোনো মামলা নেই! সে কোনো সন্ত্রাসী নয়

224

IMG_20161203_143016আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবে গতকাল আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের তিয়বিলা গ্রামের ঠেকারী খাতুন ও রুস্তমের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২৩ নভেম্বর রাত ৩টার সময় নিজ বাড়ি থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় রুস্তমকে ১২/১৩ জন র‌্যাবের পোশাক পরিহিত র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় ঠেকারী খাতুনের নাতি ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী কাজল রানা তাদের পোশাকে র‌্যাব লেখা দেখতে পায়। তারা যখন বাড়ির অদুরে গাড়ি রেখে হেটে এসে তাদের বাড়িতে ঢোকে। তাদের হাক ডাকে আসপাশের অনেকেই ঘটনাটি দেখতে পায়। রুস্তমের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন তার ২ অসহায় ছেলেকে কোলে নিয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদেরকে বলেন, আমার স্বামীর নামে কোন মামলা নেয়। সে কোন সন্ত্রাসী নয়। উল্লেখ্য, ২৩ নভেম্বর র‌্যাবের একটি দল রুস্তমকে তুলে নিয়ে যাবার পর ঠেকারী খাতুন তার বড় ছেলে আত্মীয়-সজন সকলে অনেক জায়গায় খোঁজাখুজির পরও খুঁজে পায়নি। অবশেষে ঝিনাইদাহ র‌্যাব অফিসে খোঁজ করতে গেলে তারা আমাদের কোন কথা শুনতে চান না। শুধু বলেন, রুস্তমের নামে যদি থানায় কোন জিডি থাকে নিয়ে আস, আমরা ব্যবস্থা নেব। আমরা তাদের কথা শুনে আলমডাঙ্গা থানায় এসে জিডি করার চেষ্টা করি। কিন্তু আলমডাঙ্গা থানা জিডি করতে রাজি হয়নি। অবশেষে আমি আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের মাধ্যমে গত ১ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছিলাম। যা দৈনিক সময়ের সমিকরণসহ স্থানীয় সকল পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনের পরদিনই র‌্যাব-৬-এর সদস্যরা আমার ছেলেকে অস্ত্রসহ চুয়াডাঙ্গা সদর থানার জাফরপুর বিজিবি ক্যাম্পের পার্শবর্তি মাঠ থেকে আটক করেছে বলে দাবি করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হস্তান্তর করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত। এমতাবস্থায় আমরা অসহায় পরিবার আপনাদের মাধ্যমে সুবিচার পাওয়ার আশায় প্রশাসনিক ও জুডিশিয়াল পৃথক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।