চুয়াডাঙ্গা শনিবার , ৯ জুলাই ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আলমডাঙ্গায় দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার

ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার উন্নয়ন থামানো যাবে না
সমীকরণ প্রতিবেদনঃ
জুলাই ৯, ২০২২ ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আলমডাঙ্গা অফিস:  আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। গতকাল শুক্রবার উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হলো মাটি ও মানুষের সংগঠন। মানুষের কল্যাণে এ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের উন্নয়নে, মানুষের কল্যাণের জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন আজকে তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সম্পন্ন করতে কাজ করছেন। মাত্র কিছুদিন আগে বাঙালির স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছেন। কিন্তু বিরোধী দল বলেছিল পদ্মা সেতু স্বপ্নেই থেকে যাবে, কোনো দিন এই সেতু আলোর মুখ দেখবে না। কিন্ত পদ্মা সেতু আলোর মুখ দেখেছে। পিছন থেকে ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার উন্নয়ন থামানো যাবে না। কারণ তার প্রিয় সংগঠনে কোটি কোটি কর্মীরা তার হাতিয়ার। তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ৪র্থ ঢেউ আতঙ্ক শুরু হয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। সে জন্য সকলকে বাড়ির বাইরে চলাচলরত অবস্থায় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার গণমানুষের নেতা। তিনি চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে মাত্র কয়েকদিন বিশ্রাম নেওয়ার পরই আপনাদের সাথে দেখা করতে চলে এসেছেন। ছেলুন জোয়ার্দ্দার কোনো ভুঁইফোড় নেতা নয়, দীর্ঘ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। উনি বসন্তের কোকিল নয়, হঠাৎ করে আপনাদের কাছে এসে বলবে আমি নেতা হতে চাই। উনি রাস্তায় আন্দোলন করে আপনাদের মতো কষ্ট করে নেতা হয়েছেন। আসেন আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। এখানে প্রতিযোগিতা থাকবে, প্রতিহিংসা নয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু মুছার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রশান্ত অধিকারী, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক সহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য কাজী খালেদুর রহমান অরুন, নির্বাহী সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, খন্দকার শাহ আলম মণ্টু, হামিদুল ইসলাম, সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক মাসুদ রানা তুহিন, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান পিণ্টু, কুমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ পিণ্টু, ডাউকি ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম, হারদী ইউপি চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান ওল্টু ও বেলগাছি ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান চঞ্চল।

পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান ফারুকের উপস্থাপনায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সালমুন আহম্মেদ ডন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকদের মধ্যে জয়নাল আবেদীন, নুরুল ইসলাম দিপু, মকবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা দিদার আলী, রাবাব আলী, আ. রাজ্জাক আলী, কামরুজ্জামান শামিম, সাজিবার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, খন্দকার আব্দুল বাতেন, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, আবু তালেব, শহিদুল ইসলাম লাল্টু, আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সভাপতি মিলন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আলাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম অপু মোল্লা, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. অমল কিমার বিশ্বাস, পরিমল কুমার কালু ঘোষ, সুশীল কুমার ভৌতিকা, মহসিন কামাল, সুজন আলী, পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, প্যানেল মেয়র খন্দকার মজিবুল ইসলাম, সোনাউল্লাহ, কাউন্সিলর জহুরুল ইসলাম স্বপন, রেজাউল হক তবা, আক্তারুজ্জামান, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল হক, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নয়ন সরকার, প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হোসাইন বাদশা, ছাত্রলীগ নেতা সাকিব, অটল, শিহাব প্রমুখ। মতবিনিময় সভা শেষে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার আলমডাঙ্গার বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন। এখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে চুয়াডাঙ্গায় ফিরে যান।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।